Aniruddha Bose


Book Reviews

Review of Aniruddha Bose’s CONUNDRUM – Amiya Bandopadhyay

Conundrum is a scientific English thriller par excellence. The author has used a rarest of rare skill of presentation of a riddle with pun and dreadful formidability that caused the death of thirteen otherwise innocent lives. The cause of such death remained unexplored to normal purview of the investigation of police. The question is, what good enough reason work as inputs to perpetuate such heinous crime? The experts in the research field opine chronic constant anger due to turbulent past might be the trigger of a revenge or it can be due to a manifestation of micro-psychotic episode causing Borderline Personality Disorder. The people with Borderline Personality Disorder often has a high IQ and a gage of wits than the usual motive. The bouts could convert the person to a serial killer than specific motive for a particular crime. According to sustained research findings, the present generation of humankind in some form reveal such behaviour trait and show an intrinsic disorder with varied manifestations. Often, they’ve unstable intense interpersonal relationships alternating to extremes – from idealisation or over-idealisation to devaluation. They might have chronic feelings of emptiness. The crucial feature is affective instability.
The author in this thriller has made this scientific finding very clear with observation that “Marked shifts of the baseline mood to depression, irritability, anxiety marked reactivity of the mood which we term as dysphoria. It could range from a few hours to days. A feeling of guilt often subconsciously works. It might lead to transient paranoid ideation or dissociation”. To make it clearer the author maintains “that in ideation or dissociative state, that’s off the normalcy, there could be a transient phase, where out of anger to whatever reason, might lead to the assailant to commit these heinous deeds. This might be from stress due to whatever reason, from a feel of void”
The author with acute acumen ship very logically brings a Professor of Indian Statistical Institute working in a higher mathematical domain who could utilise his intellect and knowledge of psychiatry in order to make a deadly assemblage confronting one with the triple-bundled action for reaching out the solution. In such an endeavour Prof Summit needed stringent impute for self-realisation, being a fellow falling under the group of resistant obsessive persona, though he is a topper, end to end in his academic journey that ordained him to obtain a PhD from a foreign country in Statistical Research.
Conundrum being a scientific English thriller does not fall under the category of general genre areas for multiple reasons. As a physician par excellence and a person of highest intellectual and literary faculties, he highlights an age-old tradition of masculine promiscuity, repressing the feminine lust in socio-cultural and religious fetters, resultantly causing backlash with evolution, female multitude trailing the masculine attributes. When it boils the personal definition, it’s ‘No… no’. I as a male child could fool around but you as my wife can’t. With this conviction, he justifies deep-seated hypocrisy in maintaining the relationship between a male and a female.
In the novel author has very logically portrayed a character having supremacy over others for which he referred to the dominant personal attributes as that of a character Chitrangada in the epic Mahabharata. The author spares not himself to educate the readers about the use of the Fibonacci system of sequencing the murders that make this thriller highly engrossing. “In mathematics, sequence of numbers surprisingly useful applications in botany and other natural sciences. Beginning with two 1’s each new term is generated as the sum of the previous two: 1,1, 2, 3, 5, 8,13… The 13th century mathematician Leonardo of Pisa (c1170 – after 1240) also known as the Fibonacci discovered the sequence but did not explore its uses which have turned out to be wide and various. For example, the number of petals in most types of flowers and number involved in branching and seed formation patterns cause from Fibonacci sequence”. The Fibonacci system originated in India from the works of Pingala (200 BC) on itemising possible patterns of poetry from syllabus of two lengths, especially Sanskrit prosody known as known as ‘chandas’ in the Vedic verses. It had extensive use in Vedic literature (700 BC) Vedanga verses.
Ardent readers highly appreciate the language used in narrating the storyline of this unique thriller from beginning to the end and the author’s visualisation of nature on appropriate occasions, make depicting characters incisive and lively.
The cover page of the book commands attention of the readers.

অন্য দেখা


বইঃ টাইমলাইন আলস্কা

লেখকঃভাস্কর দাস


দামঃ৮০০ টাকা

ভাস্কর দাসকে চিনি আমাদের মেডিক্যাল কলেজের কৃতি ছাত্র,প্রখ্যাত অর্থপেডিক সার্জন হিসেবে। সখ,ভালো ছবি তোলা। আশ্চর্য হলাম যখন ভাস্কর বলল “অনিরুদ্ধদা একটা বই লিখেছি। পড়ে বলবেন কেমন হয়েছে” বইটা অ্যামাজনে অর্ডার দিলাম। ডেলিভারিতে, গৈরিক কালো সংমিশ্রিত সুন্দর মলাট উল্টে, আর্ট পেপারে ছাপান বইটা উলটে-পালটে দেখলাম, প্রত্যাশিত ভাবেই ছবিতে ভর্তি। নিজের একটা খুনের উপন্যাস নিয়ে ব্যস্ত ছিলাম বলে রেখে দিলাম। সময় পেলে পড়ব। খুনের উপন্যাসে খিচুরি আর জিলিপি পাকাতে মাঝেমধ্যে চিন্তার জন্য বিরতি লাগে। এই বিরতিতেই বইটা তুলে নিয়েছিলাম আলস্কার ভ্রমণ কাহিনি পড়ব বলে।

কিন্তু,না। এ কি পড়ছি!

ভ্রমণ কাহিনির আপাত অন্তরালে টাইমলাইন আলাস্কাযেন বিশ্ব দর্শন। বিন্দুর মধ্যে সিন্ধুর স্বাদ।ঘর থেকে কিছু পা ফেলে শিশিরবিন্দু নয়,উত্তর মেরুর বুৎপত্তি,বিবর্তন,রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক পরম্পরায়ের এক সমন্বিত উপাখ্যান। আলাস্কার টাইমলাইন,শুধু ভ্রমণের টাইমলাইন নয়,ইতিহাসের টাইলাইন নয়,বহুমাত্রিক এই লাইন যেন বাধাহীনভাবে খেলে বেড়িয়েছে এক বিশাল খনিজ সম্পদে। ভ্রমণ কাহিনি হিসেবে শুরু,ক্রমশ গভীরে প্রবেশ করছে। অজানা বহু তথ্য গল্পচ্ছলে পেশ করছে। শেষ না করা পর্যন্ত অন্য কাজে হাত দেওয়া বোকামি।

১১০০০ বছর আগে পৃথিবীর শেষ বরফযুগ থেকে ভাঙাগড়ার মধ্যে আলাস্কার ভৌগলিক বিবর্তন সংক্ষেপে ভূখণ্ডের মানচিত্র আঁকছে। ‘ইটারন্যাল মেহেম’উপন্যাস লেখার সময় রেসিয়াল মাইগ্রেশনের ইতিবৃত্ত লিখতে গিয়ে যে বেরিং স্ট্রেট দিয়ে বেরিঙ্গিয়া,রাশিয়া আর অ্যামেরিকার সংযোগ স্থাপন করেছিল,কিছুটা পড়েছিলাম। এখানে তার বিস্মৃত বিবরণ। কে এই ভিটাস জেনাসেন বেরিং?কে পিটার দ্য গ্রেট,যার নামে রাশিয়ার সেন্ট পিটারসবার্গ? নিকিটা সুগমিন,জর্জ উইলহেম স্টেলারের কাহিনি। নামগুলোই শুধু শোনা ছিল। টাইমলাইন আলাস্কাথেকে জানলাম ওদের জীবন কাহিনি। শুধু জীবনী নয়,সঙ্গে নানাবিধ ছবি,যেমন দাড়ির ট্যাক্সের, সি এপ,সমুদ্র গাভীর,২য় কামচাটকা অভিযানের স্মারক মুদ্রা, বেরিংস ভয়েজেস বইয়ের ছবি – নানান ছবিতে সমৃদ্ধ লেখার পাশেপাশে।ইতিহাস একের পর এক উন্মোচিত হচ্ছে,ভাস্করের সহজ লেখার স্বচ্ছতায়।

২০,০০০ বছর আগে লাস্ট গ্লেসিয়াল ম্যাক্সিমাম থেকে ভাঙাগড়ার মধ্যে আজকের আলাস্কা। তথ্যগুলো নেটে কিছুটা লিপিবদ্ধ থাকলেও,তাকে সাজিয়ে সংক্ষেপে ইতিবৃত্ত বলার মধ্যে লেখকের মুনশিয়ানা স্পষ্ট। এস্কিমো শব্দটির সঙ্গে আমাদের পরিচয় থাকলেও তার মানেটা যে ‘কাঁচা মাংসভোজী’,শুধু এটুকুই জানা নয়। কোথাও কী নামকরণের পেছনে একটা অবজ্ঞা,একটা তাচ্ছিল্য রয়ে গেছে? ‘সভ্য’সমাজের অহং কী প্রকাশ পাচ্ছে না? ইনুপিয়াক,আথাবাস্কান,ইউপিক,অ্যালিউট,অ্যালিউটিক,তিঙ্গিত,সিম সিয়ান,হায়দার বৈশিষ্ট্যগত পার্থক্য বইটা না পড়লে অজানা থেকে যাবে।

রাশিয়া থেকে বেরিং এবং তাঁর উত্তরসূরিদের আলাস্কা অভিযানের বিভিন্ন ঘটনা বর্ণিত। দেশ আবিষ্কারের সঙ্গে সেই দেশকে লোটার স্পৃহা ‘ফার ট্রেডের’ইতিবৃত্তে প্রকট। সভ্যের বর্বর লোভনগ্ন করল আপন নির্লজ্জ অমানুষতা। প্রকৃতির কোলে, প্রাকৃতিক বেশে, গানে-নাচে প্রাকৃতিক বন্দনায় ভরে থাকত যাদেরসহজ সরল জীবন।সভ্যতার ভয়াবহ কুটিল থাবায় ওদের প্রাচীন সংস্কৃতিকে পেছনে ঠেলে,দেখাল কৃষ্টির নামে সাম্রাজ্যের বিকাশ আর ধর্মের নামে, ওদের নিজস্ব সংস্কৃতিকে বিলীন করতে, এক কাল্পনিক ঈশ্বরকে সামনে খাড়া করে।সভ্যতা এল।সঙ্গে নিয়ে মানুষের অন্তরের কুটিল নগ্নতা।প্রাকৃতিক সাজে সাজা নারীদের ঘরে ঘরে পৌঁছে গেল ইরটিজমের নগ্নতায়।নিয়ে এল কুটিল সাম্রাজ্যবাদের ভয়াবহ অহংকারর উন্মাদ তাণ্ডব।বিক্রি হয়ে গেল কোমলতা।বিক্রি হয়ে গেল নিষ্পাপ সারল্যে ভরা বনলতার কোলে বড় হওয়া মাধবীলতা।

এ প্রসঙ্গে বহুদিন আগের একটা ঘটনা মনে পড়ে গেল। আমার বাবা তখন ইউনাইটেড নেশনস-এর ডিপ্লম্যাট হিসেবে থিম্পুতে। গরমের ছুটিতে মেডিক্যাল কলেজ হস্টেল ছেড়ে বাবার ওখানে বেড়াতে গেছি। আমাদের বাড়িতে ডিনারে ভুটানের তদানিন্তন ফরেন মিনিস্টার লাকপা শেরিং রাত্রি ভোজের পরে বাবাকে প্রশ্ন করেছিল “ইটস অল ভেরি নাইস দ্যাট ইউনাইটেড নেশনস ইজ প্রভাইডিং আস এইড। ডস দ্যাট মেক আস এনিওয়ে বেটার উইথ দ্য টেন্টাক্যালস অফ সিভিলাইজেশন?” প্রশ্নটা আদি অন্তকালের। টাইমলাইন আলাস্কা পড়তে পড়তে মনে হল,প্রশ্নটা আজকেরও। তাই কী কবিগুরুর আক্ষেপ দাও ফিরে সে অরণ্য লও এ নগর… হে নব সভ্যতা,হে নিষ্ঠুর সর্বগ্রাসী। দাও সেই তপোবন পুণ্য ছায়ারাসি। গ্লানিহীন দিনগুলি

ব্যারানভের ইতিবৃত্ত পড়তে পড়তে কর্ম জীবনের পরিহাসটা আরও বেশি প্রকট হয়ে ওঠে। শাস্ত্রে বারবার সত্যের জয় নিয়ে অনেক জ্ঞানগর্ভ ব্যাখ্যা শুনি। সত্যের কী জয় হয়?না কি নিছকই মন ভোলান সান্ত্বনা? রাজ অনুগত্য,না মানুষের মনের রাজধিরাজ,কোন পথ শ্রেয় ভাবতে হয়। দুনিয়াদারির পথ, জন স্বীকৃতির পথ না নিজস্ব চেতনার পথ – কোনটা শ্রেয় সে বিচারে না গিয়ে,নিজস্ব শান্তিই যে পথের ধ্রুবতারা, এই চেতনাই বোধহয় জাগতিক শান্তির মূলমন্ত্র।

রাশিয়ার অধীনস্ত আলাস্কা ঘটনাক্রমে কী ভাবে অ্যামেরিকার অন্তর্ভুক্ত হল,তার বিশদ বিবরণ আছে টাইমলাইন আলাস্কাতে। রাশিয়ার কাছ থেকে আলাস্কাকে কেনার ঘটনা সহ,আলাস্কার বিভিন্ন দ্রষ্টব্যের ইতিবৃত্ত সিটকার রেস্টুরেন্টে বসে পাঠককে উপহার দিয়েছে ভাস্কর। সঙ্গে দ্রষ্টব্য স্থানের মনোরঞ্জক ছবি। অবশেষে অনেকেদিন পর অ্যামেরিকার আলাস্কাকে ৪৯তম রাজ্য হিসেবে স্বীকৃতি।

ভ্রমণ কাহিনি পড়ব বলে শুরু করেছিলাম। শেষ করলাম দ্য গ্রেট ল্যান্ড আলাস্কার বুৎপত্তি,ইতিহাস,ভূগোল থেকে পলিটিক্যাল এই বিশদ ইতিহাসকে বন্দি করা ১৫৫ পাতার টাইমলাইন আলাস্কায়। বইয়ের সঙ্গে উপহার স্বরূপ পেয়েছি ভাস্করের তোলা একটা ভিডিও। ছাপানর উৎকর্ষতা,আর্ট পেপারে ছাপা অসংখ্য ছবির এই বইটা,সঙ্গে বিশাল জ্ঞানের ভাণ্ডার।৮০০ টাকা দামটা কম-ই মনে হয়েছে।

আলাস্কা যাইনি। যাওয়া হবে কি না,জানি না। ভাস্করের চোখ দিয়ে অন্য আলাস্কাকে দেখলাম। এ দেখাই বা কম কীসের?


Timeline Alaska




Review of the LYRICS OF LIFE Poetry Book by Ravi Ranganathan

It was a conflagrate gratifying experience to go through the poems of my childhood friend Ravi Ranganathan. Though he names his book as ‘LYRICS OF LIFE’, I feel the book should have been named ‘LYRICS OF LIFE AND BEYOND’.

Sorcerous perched at the postern of mortality, the obvious Saturn trait unveils as one reads his poems. Flashes of cherished childhood memoirs haunt the poet, as he reminisces in ‘hallucination’ of the karmic drudgery of his mother. The jaunt of life had alienated him from the splendour of the ‘dark clouds and the trusted rain’. In his quest of the Divine peace, an awakening dawn ‘Fame and glory will fade into dust, vain existence preceding vain death’.

If it be so, what is the nisus he aspires to milk in his lyrics of life poetic descant?

The mystic poet, without despond, submits at the crib of Nature ‘Uncontrollable sea, be not proud this shuddering exposure’ with a flicker of hope ‘Only this ray, only this gleam kindles the spark of visionary dream’ digs inwards ‘checking my urge to delve deep’ to ‘see light, truth ere you reach your graves’. The subconscious ricochets Saturn, where the mortality is quotidian grind, where the soul seeks to traverse the enigmatic horizon to the anon, be it under the counsel of ‘scholarly Guru Who knows the highs and lows of each and every voice’ or ‘Amidst Monks in ochre robes practising spirituality’. Often without aid in solitary rumination where ‘Shadows, insubstantial shadows keep hovering on the horizon’ with a Spartan zeal to taste the clandestine canopy of peace.

In the ascent of Asthamangik Marg, the evolution embarks from unconscious to consciousness, to visualise beyond the paradigms of mortality the lyrics of life, where the ‘Death is whispering in Life’s ears to quell the unrest’. Life and death are two sides of the same coin, like daylight and darkness, or the circadian state of sleep and awakening. It is the soul’s yen to hear ‘OM’ (A-U-M) Anahat Nada or the vibration of the purest Supreme as in Manduka Upanishad – waking, dreaming and dreamless deep sleep. The poet yearns this transition as you flip through the pages of the book. This mission in many of his pieces cross the precincts of mortality to fathom the Supreme, sometimes through Nature at other times beyond.

He is optimistic the ‘Horizon Still Reachable’ as well as confident ‘I know I will clearly take off before the mayhem’ as he tweaks his soul ‘Put an end to this sempiternal show Tune within you as you bow’. This melody within, is the key spark for the soul to kindle in darkness or dreamless deep sleep, where it blends with the awaken.

Simple to the naked eye, all poems have a buried desire to attain the sublime peace beyond the fetters of mortality into a domain beyond.



Blog at

Up ↑


আমার মনের মাঝে যে গান বাজে,শুনতে কি পাও গো?


Creative and Bookish

The Blabbermouth

Sharing life stories, as it is.

Prescription For Murder



Travel With Me

কবিতার খাতা

কবিতার ভুবনে স্বাগতম



Coalemus's Column

All about life, the universe and everything!

Ronmamita's Blog

Creatively Express Freedom

যশোধরা রায়চৌধুরীর পাতা

তাকে ভালবাসি বলে ভাবতাম/ ভাবা যখনই বন্ধ করেছি/দেখি খুলে ছড়িয়েছে বান্ডিল/যত খয়েরি রঙের অপলাপ/আর মেটে লাল রঙা দোষারোপ

Kolkata Film Direction

Movie making is a joyful art for me. I enjoy it as hobbyist filmmaker - Robin Das


বাংলা ট্রাভেলগ

The Postnational Monitor

Confucianist Nations and Sub-Sahara African Focused Affairs Site


Current & Breaking News | National & World Updates

বিন্দুবিসর্গ bindubisarga

An unputdownable Political Thriller in Bengali by Debotosh Das


Welcome to your new home on

জীবনানন্দ দাশের কবিতা

অন্ধকারে জলের কোলাহল

%d bloggers like this: