Search

Aniruddha Bose

Author

Aniruddha Bose

An eminent Plastic Surgeon by profession, a writer by choice, Aniruddha Bose was born on 19th September 1955 in Kolkata. He developed an interest in literature since childhood from his late father Binayendra Mohan Bose, an ex-graduate from Bengal Engineering College and late mother Ila Bose, silver medal winner in Bengali from the Calcutta University. He is a by-product of St. Xavier’s Collegiate School, Kolkata, later Medical College, Bengal and Royal College of Surgeons, United Kingdom. He spent substantial segment of his life there. Also, a couple of years in the Middle East. A renowned Consultant in Kolkata, he is recognised as one of the leading cosmetic surgeons both nationally and internationally. From his school and college days he was into writing. Editor of the school magazine Nihil Ultra, his literary zeal was evident from early days. He contributed in several leading magazines during that period and later in United Kingdom and the Middle East. Life is a voyage exposing its colours in varied veneers. In the year 2006 he sustained a fracture of tibia which confined him to a wheel chair for six months. Continuing his hectic practice even in wheel chair, his social life came to a halt. He was isolated from his other lively activities. To make the best of his solitary confinement, he resorted to his forlorn hobby. He plumbed the bygone literary pursuits he cherished in youth, fortified by his literature-loving engineer father and literary mother until the coercions of his career pushed it to the archive. During this period, he penned his debut Bengali novel ANWESHAN released on 25th August 2007. The novel was an instant success. It hosted his original creative self-expression in a diverse arena. The sales figures of his debut novel soared high. It stimulated his incognito ingenuity urging him to further indulge in the passion, parallel to his busy professional pursuits. His second Bengali novel NISHABDE like the previous one, not only turned out to be a best-seller representing Bengal at the London Book Fair, but also received eclectic acclaim. From then onwards there was no turning back. Destiny had set ajar a new vista of artistic creativity amidst the levied calamity. He split his time between a busy profession and literary quests. He has written several books in Bengali and English. He continues creating more in both the lingoes. It reflects his wide experience as a professional. Widely travelled, he has interacted with various cultures, races and community. He is a member of Film Writer’s Association. He finds solace in his creations, be it in his professional arena or creative literary pursuits. All his novels are depiction of his inner creative ideas sometimes contrary to tradition in search for the Universal Truth. In his busy schedule, his essence of peace rests with his love for Rabindrasangeet, classical music and his wife Smriti Bose.

TAGORE AND DEATH

অমাবস্যার আলো

আলোটা বারবার হারিয়ে যায়

অমাবস্যার আঁধারে, গ্রহণের ছায়ায়,

কাল মৃগয়ায় স্বপ্ন মধুর আশায় 

কুহকিনী রাত, মরীচিকা।

স্বপ্ন বাসরে কালের আসরে

তারই দিনপঞ্জি লেখা। 

কাল শুধু ধাবমান সময়। 

সোনার হরিণের বেসে 

নতুন নতুন স্বপ্ন দেখায়।

রাত্রির পরে দিন স্বপ্ন রঙিন। 

প্রবচন স্বপ্নে উদ্দাম বিহীন, 

রঙিন বাসরে উন্মাদ আসরে

সঞ্জীবনী সুধা ছাড়ায়। 

প্রবহমান কাল, জানে সময়ের লয়

সৃষ্টি, স্থিতি আর প্রলয়ের ব্যপ্ত সময়

অতীত, বর্তমান আর ভবিষ্যৎ রূপে

অবচেতন, চেতন, অতিচেতনের নীলয়। 

অমাবস্যা শুধু আঁধারের লিপ্সা,

বন্ধন থেকে মুক্তির অজানা পিপাসা। 

মুক্তিই খুলে দেবে ভোরের সিংহদুয়ার,

কেটে যাবে নিশি আঁধার ঢাকা 

সরীসৃপ অন্তরের অমাবস্যা রাত।

তার-ই আলো নিঃশব্দ চেতনার উন্মেষে

অন্তরের জ্যোৎস্না প্লাবনে, 

অস্তিত্বগামী আমিত্ব মুখী আত্মসমর্পণ।

চেতনার উন্মেষে তারই প্রস্ফুটন। 

অমাবস্যার আঁধারে, গ্রহণের ছায়ায়,

কাল মৃগয়ায় স্বপ্ন মধুর আশায় 

কুহকিনী রাত, মরীচিকা।

স্বপ্ন বাসরে কালের আসরে

তারই দিনপঞ্জি লেখা। 

কাল শুধু ধাবমান সময়। 

সোনার হরিণের বেসে 

নতুন নতুন স্বপ্ন দেখায়।

রাত্রির পরে দিন স্বপ্ন রঙিন। 

প্রবচন স্বপ্নে উদ্দাম বিহীন, 

রঙিন বাসরে উন্মাদ আসরে

সঞ্জীবনী সুধা ছাড়ায়। 

প্রবহমান কাল, জানে সময়ের লয়

সৃষ্টি, স্থিতি আর প্রলয়ের ব্যপ্ত সময়

অতীত, বর্তমান আর ভবিষ্যৎ রূপে

অবচেতন, চেতন, অতিচেতনের নীলয়। 

অমাবস্যা শুধু আঁধারের লিপ্সা,

বন্ধন থেকে মুক্তির অজানা পিপাসা। 

মুক্তিই খুলে দেবে ভোরের সিংহদুয়ার,

কেটে যাবে নিশি আঁধার ঢাকা 

সরীসৃপ অন্তরের অমাবস্যা রাত।

তার-ই আলো নিঃশব্দ চেতনার উন্মেষে

অন্তরের জ্যোৎস্না প্লাবনে, 

অস্তিত্বগামী আমিত্ব মুখী আত্মসমর্পণ।

চেতনার উন্মেষে তারই প্রস্ফুটন। 

তোমাকে দেখেছি

তোমাকে কতবার দেখেছি

খরাতপ্ত কৈশরের চাওয়ায়,

ব্যাথা ভরা যৌবন আঙিনায়

না চেনা অজানা বিভোরে। 

তোমাকে কতবার দেখেছি

কেদার, দুর্গা থেকে দেশ

বাগেশ্রী, সংকরার ছন্দ অনুভবে। 

যৌবন হারিয়েছে চাওয়া-পাওয়ার দ্বন্দ্বে, 

ভেসেছি তারই স্রোতে নিজ আনন্দে। 

গুপ্ত অনুভূতি, সুপ্ত প্রেম

আধো আঁধারে স্বপ্ন, বাস্তবে শেম। 

তন্বী উলঙ্গ রমণীর বহ্নি কাম। 

অনুভবে মেঘকজ্জ্বল রুপোলী রাত। 

নিশীথে আলিঙ্গন রাতে সংলাপহীন চুম্বনে

মধুর জ্যোৎস্নামাখা নিরাবরণ মিলনে।

আভরণ তো সামাজিক শোভা,

তোমার পল্লব দৈহিক স্পর্শ হর্ষ, 

চিরজীবনের ব্যথার কব্যলিখা। 

প্রতি মুহূর্তে একাকী নিভৃতে

হিসেবের নতুন অব্যক্ত তালিকা। 

দেখতে চাই না তোমার উলঙ্গ স্বরূপ। 

নিজের আয়নায়, শুধু দেখতে চাই

স্ফুটিত অন্তরের স্বরূপ, নিজের মুখ। 

যুগান্তর

কী চেয়েছিলে নতুন যুগের ভোরে? 

জীবনের যত কুকার্য একত্র করে

স্বর্গ ফিরে পাবে? 

কবিরা তো স্বপ্ন দেখিয়েছিল

নতুন যুগের শিখা।

জ্বলেছিল হৃদয়ে স্বপ্নের কাব্যলেখা।

আঁতুড়ঘরে স্বপ্ন এঁকেছিলে কতকাল,

বিপ্লব, মন্দির, মসজিদ 

ক্ষুদ্র আবর্তে জীবৎকাল।

ইজম ছুঁয়ে গেছিল রিজনকে,

দুনিয়াকে করেছিল দামী

ইজমের বাজারে নিলামি। 

ভেবেছিলে এইভাবে ঘটবে রূপান্তর। 

নিজেকে পশরা করে যুগ থেকে যুগান্তর। 

রং ছড়িয়েছিল আগামীর রূপকার

বোঝেনি ধুলিস্যাত করবে প্রাকৃতিক বাহার। 

অচেনা ভবিতব্য নতুন অঙ্কে 

সেজেছে প্রলয় নৃত্যে আগামীকে সাজাতে। 

উন্মাদ পৃথ্বী চাইছে তোমার সততা 

কোথায় অবজ্ঞা করেছ ধরিত্রীর ঔরস

কোথায় বিঁধেছ তাঁকে লালসার উন্মাদনায়

জ্বালিয়েছ তাঁর অনন্ত বহ্নিচিতা। 

অহঙে দিয়েছ যুগান্তকারী লজ্জা। 

লুণ্ঠিত করেছ তাঁর স্বপ্ন আবেশ,

সজ্জিত তুমি, কুলাঙ্গার বেস। 

যুগান্তরের স্বপ্ন আতুরঘরে নয়,

স্বপ্ন সেটাই যা অন্তরকে চিনে লয়। 

তোমার স্বপ্ন হয়ত ময়ূরকণ্ঠি পক্ষিরাজ। 

যুগান্তরের ইতিহাসে নিছকই ধান্দাবাজ। 

কালকে চিনতে অতীত অবশ্যম্ভাবী। 

মৃত্যুলেখা যুগান্তরের রূপকার

সব অঙ্ক প্রকৃতির চেতনা উদ্ভাসে ছারকার। 

বাংলা চলচ্চিত্রের হাল হাকিকৎ ভবিষ্যৎ

গৌরবোজ্জ্বল বাংলা চলচ্চিত্রের অগস্ত্যযাত্রা বেশ কিছুদিন আগেই শুরু হয়েছিল। বিশ শতকের স্বর্ণযুগের অবসানে তা এক নতুন মাত্রা পেল। একবিংশ শতাব্দীতে কিছুটা এগনোর পর বেশ বোঝা যাচ্ছে, মিডিওক্রিটিদের দাপটে সেই সংস্কৃতি যৌবনের অন্তেই জীবনের শেষ প্রান্তে এসে পৌঁছেছে, বার্ধক্য-জাতীয় কোনও বিশেষ পরিণতির তোয়াক্কা না করেই। ‘বাঙালি বা বাংলা’ বিষয়ক আধুনিকতা, বর্তমান ভৌগোলিক বাংলার মাত্র দু-আড়াইশো বছরের উপনিবেশ পর্বের অবদান। এই পর্ব একাই মহাভারতের সাপেক্ষে‘আঠারোশো’। তার আর কী-বা দরকার, দুদিক থেকেই? গাঢ় আঁধারের এক সুদৃশ্য উত্তরীয় জড়িয়ে সমগ্র বাঙালি ক্রমশ কৈশোরের উচ্ছ্বাসে গোগ্রাসে গিলছে নিঃশেষ হয়ে যাওয়া অতীতর উচ্ছিষ্ট। পুরনো দিনের কথায় আক্ষেপ, অবসরে অশ্রুমোচন।

ঋত্বিক ঘটক, সত্যজিৎ রায়, মৃণাল সেন, তপন সিংহ, তরুণ মজুমদার, ইত্যাদি অতীত রোমন্থনে বাংলা চলচ্চিত্রের অতীত। প্রমথেশ বড়ুয়া, উত্তমকুমার, সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়, বিকাশ রায়, পাহাড়ি সান্যাল, রবি ঘোষ,ধৃতিমান চ্যাটার্জি ইত্যাদি ফেলে আসা সেই অতীতের সাক্ষর। সুচিত্রা সেন, সাবিত্রী চ্যাটার্জি, মাধবী মুখার্জি,শর্মিলা ঠাকুর, কানন দেবী, সুপ্রিয়া দেবী ইত্যাদি ব্ল্যাক অ্যান্ড হোয়াইটে অতীতের গৌরবাজ্জ্বল অধ্যায় সৃষ্টি করলেও,প্রতেকেই ছিলেন অভিনয় দক্ষতায় কালারফুল।

আজ নিঃস্ব চলচিত্র দুনিয়া টিকে থাকতে মরিয়া। দেওয়ার কথা দূরে, অস্তিত্বই এখন সংকটে। ভাঙা প্রাগৈতিহাসিক স্টুডিওগুলোতে এমন কী ছিল, যা স্বল্প বাজেটে ভারতবর্ষের বিভিন্ন ভাষায় চলচ্চিত্রের দিশারি? কিংবা বিদেশে সমাদৃত? আজ বুঝি আর কী কিছুই দেওয়ার নেই। মিডিয়াতে কথার ফুলঝুরি, কাজের বেলায় অষ্টরম্ভা। সে যুগে তো এত মিডিয়ার বাহার ছিল না। তবুও লোকে উদগ্রীব হয়ে প্রেক্ষাগৃহে ভিড় করত। অনেক হলে তো এসিও ছিল না। 

কীসের মোহে?

বলতে পারেন তখন ইন্টারনেট আসেনি, টিভিও ছিল না, পরে অবশ্য শনি-রবিবার দূরদর্শনে ব্ল্যাক অ্যান্ড হোয়াইট ছবি। বিশ শতাব্দী থেকে একবিংশ শতাব্দীতে এমন কী ঘটল, যে বাংলা ছবির ভরাডুবি? উত্তমকুমারের মৃত্যু, না সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়ের বার্ধক্য। কিন্তু এরাই শুধু যে বাংলা ছবির বক্স অফিস, উৎকর্ষ এমন তো নয়। যদিও উজ্জ্বল তারকারা ছবি অলংকৃত করতেন, এরাই যে ছবির সাফল্যের চাবিকাঠি, ভাবাটাই ভুল। বাংলা ছবির স্তম্ভ ছিল তার গল্প, যা তখনকার সাহিত্যিকদের লেখা। গল্প বলার ধরন, দক্ষ ক্যামেরা, কালজয়ী সংগীত এবং সর্বোপরি টেকনিক্যাল টিমের একান্ত নিষ্ঠা। গতির যুগের সঙ্গে এডিটিং-এর বিবর্তন হয়েছে, সঙ্গে গল্প বালার ভঙ্গি। একটা দৃশ্যে দীর্ঘক্ষণ আটকে না থেকে, স্বল্প সময় দৃশ্য পরিবর্তন এটাই একবিংশ যুগের স্টাইল। 

এই স্টাইল সম্বন্ধে একটু বলা আবশ্যক। একটা দৃশ্য থেকে, সংলাপ কিংবা অভিব্যক্তির মধ্যে দিয়ে চরিত্রের বিন্যাস, ছবিতে স্ক্রিপ্ট লেখার মুনশিয়ানা বোঝায়। তার সঙ্গে গল্পের মধ্যে অন্য আরেকটা গল্প বলা, শুধু একঘেয়েমিই দূর করে না, টুকরো টুকরো অন্য গল্পের প্রবাহের দিকেও ইঙ্গিত করে। বিদেশে, যারা সাহিত্য নিয়ে গবেষণা করেন, তারা এই ধারা সম্বন্ধে প্রচলিত। বাংলা সাহিত্যে কদ্দুর ছিল জানি না, তবে একবিংশ শতাব্দীর গোঁড়ার দিকে আমার অন্বেষণ উপন্যাসে সেই স্টাইলে বিশ্বাস রেখে, এই বিবর্তনটা আনতে সক্ষম হই। গল্পের আরেকটা দিক হল, মেরুদণ্ড। যা গল্পের দর্শন। সেখানেও আধুনিক নতুন চিন্তাধারা মানুষ খোঁজে। যাকে আমরা বলি টেক-হোম ম্যাসেজ। যা গল্প শেষ হওয়ার পরেও রেখাপাত করে যায়। বিষয়বস্তুর আধুনিকতাও প্রয়োজন। সামাজিক কাঠামোর যে বিবর্তন হয়েছে, তা মাথায় রেখে প্রকাশেরও ঔদার্য প্রয়োজন। ঔদার্য মানে যৌনতা নয়। সত্যি না লুকিয়ে, অকপটে তা বলা। ঘোমটার তলায় খ্যামটা না নেচে, রুঢ় বাস্তবকে সামনে আনা। দরকার হলে নিষ্ঠুর ভাবে। 

রহস্য উপন্যাসেও বিবর্তন এসেছে। শারলক হোমস ও অগাথা ক্রিস্টির অনুকরণে অগণিত যে গোয়েন্দা চরিত্র বাংলায় সৃষ্টি হয়েছে, তা আজগুবি। প্রাইভেট ডিটেকটিভকে কেন্দ্র করে গল্প লেখার ট্র্যাডিশনটা কেমন যেন একঘেয়ে। ১৮৩৩ সালে এক ফ্রেঞ্চ সৈনিক, অপরাধী ইউগিন ফ্র্যাঙ্কয়েস ভিডক, কয়েকজনকে নিয়ে লে ব্যুরো ডেস রিসেইনমেন্টস ইউনিভারসেলস পউর লে কমার্স এট ল্য ইন্ডাস্ট্রি নামে প্রথম ডিটেকটিভ এজেন্সি স্থাপন করেন। ১৮৪২ সালে পুলিস ওনাকে জালিয়াতির অপরাধে অ্যারেস্ট করে। ভিডক ও চার্লস ফেড্রিক এই দুজনের হাত ধরেই প্রাইভেট ডিটেকটিভ কনসেপ্টটা রহস্য গল্পে স্থান করে নেয়, যার ভিত্তিতে এডগার অ্যালেন পোর সি আগস্টা ডুপিন ১৮৪০ সালে প্রথম প্রাইভেট ডিটেকটিভ হিসেবে সাহিত্যে আসে। তারই ভিত্তিতে বহুজন ডিটেকটিভ সাহিত্যে স্থান করে নেয়। কতগুলো চিন্তা মাথায় ঘুরপাক খেতে থাকে। 

  • মৃত্যুর সময় পুলিস না ডিটেকটিভ, কে ইনভেস্টিগেশন করতে যায়?
  • খুনের কিনারার জন্য বর্তমান যুগে ক’জন ডিটেকটিভের শরণাপন্ন হয়? 
  • ডিটেকটিভদের কী পুলিস রিপোর্ট, ফরেনসিক রিপোর্ট জানার অধিকার আছে? 
  • তারা কী টেলিফোন কিংবা ইন্টারনেট ট্যাপ করতে পারে? 
  • তারা কী ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট, ইন্সিওরেন্স ও অন্যান্য ব্যাক্তিগত তথ্য কারও সম্মতি ছাড়া জানতে পারে?

 উত্তর একটাই – না। তাহলে প্রাইভেট ডিটেকটিভ একটি আজগুবি কনসেপ্ট, যা একবিংশ শতাব্দীতে ভিত্তিহীন। আজকের বাস্তবতা মাথায় রেখেই এধরনের অন্য ধরণের গল্প বিন্যাস বাঞ্ছনীয়। এমনও তো হতে পারে, খুনের ইনভেস্টিগেশন প্রথাগত ভাবেই হচ্ছে, অথচ তার সলিউশন একাধিক ব্যক্তির যুগ্ম প্রয়াসে এগিয়ে গিয়ে তাদের মধ্যেই একজন শেষ করে। উপন্যাসে তাই শুধু খুনিকেই নয়, ফাইন্যালি জ্যাকপট জেতা মানুষটিরও সন্ধান দর্শক করতে পারে। যে হয়ত তদন্তকারীদের মধ্যে নয়। এই অত্যাধুনিক চিন্তার পরিপ্রেক্ষিতে আমার একাধিক রহস্য কাহিনি।  

আসল কথা, গল্পের একটা গতি বাঞ্ছনীয়। যাতে দর্শক মন্থর গতির ছবি দেখে নিরাসক্ত না হয়ে, ছবি দেখাই বন্ধ করে দেয়। 

এতগুলো কথা লিখলাম, কারণ সমস্যাটা সেখানে। ‘অনুপ্রাণিত’ হয়ে এখন সব পরিচালক-ই লেখক, কেউ কেউ আবার অভিনেতা, সুরকার, গায়ক-গায়িকা, এডিটর, ক্রিয়েটিভ ডিরেক্টর, সিনেমাটোগ্রাফার। প্রযোজকের বরমাল্য পেলে, নায়ক-নায়িকা হতে কতক্ষণ? কবিগুরুর দেশে, আজকের চলচিত্র জগতে সবাই সর্বগুণ সম্পন্ন হতে চায়, প্রতিভার দাক্ষিণ্য ছাড়াই। মধ্যরাতের পার্টি আর পেজ থ্রি তে অস্তিত্ব বেঁচে থাকবে। আর কিছু না হোক, খেয়ে-পরে টিকে থাকা যাবে। কথাগুলো ভালো না লাগলেও, এই ‘বহুমুখী গুণধারিরা’ যে নিজের অস্তিত্বকে টিকয়ে রাখতে, শুধু বাংলা চলচিত্রকে রসাতলে পাঠাচ্ছে, তাই নয়, ইউনিটের অসংখ্য কর্মচারীদের রুজি রোজগারের বারোটা বাজাচ্ছে, একবারও তাদের কথা না ভেবে। রসবসে বাঙালি দর্শকদের মানসিক সূক্ষ্মতা ভোঁতা করে,কালচারল বাঙালিকে তামিল রিমেকে ঠেলে, তাঁর নিজস্বতার সর্বনাশই শুধু করছে না, একটা গোটা জাতীকে পঙ্গু করে দিচ্ছে। অন্যের গল্প টুকে নিজের নামে চালানো এদের নিত্যনৈমিত্তিক অভ্যাস। সৃষ্টির আগে সেলিব্রিটি হতে হবে। তাই সাত সকালে বোঁচকা কাঁধে বেড়িয়ে পড় মিডিয়া বাবুদের পদলেহন করতে। গতিহীন ঘূর্ণিপাকে চিন্তাশক্তি ফিউজড। হোয়াট বেঙ্গল থিঙ্কস টুডে, ইন্ডিয়া ফরগট ইয়েস্টারডে।  নিজস্ব চিন্তাধারাকে কর্পোরেটের নরম মখমলে স্টারডমে বিক্রি করে খ্যাতনামারা আরও প্রখ্যাত। হারিয়ে গেছে সৃষ্টি। গায়েব হয়েছে কৃষ্টি।

একবিংশ শতাব্দীতে পোঁছে গেছি। বিবর্তন হয়েছে চিন্তাধারার। বিবর্তন হয়েছে চলচ্চিত্রের। প্রশ্ন ওঠে কোনটা সমাদৃত? কোনটা হাইপ? কোনটা পূর্ণতা? কোনটা বিক্রির পণ্য? রুঢ় সত্যটা মানুষ দেখতে চায় না। ভয় পায়। তারা ভালবাসে আলো-আঁধারিতে থাকতে। সত্যকে এড়িয়ে যেতে। রূঢ় বাস্তব যে বড় নিষ্ঠুর কঠোর ভাবাবেগ বিচ্ছিন্ন। 

তা বলে কী সে যুগে সব ছিল, এখন কিছু নেই। একেবারেরই নয়। এমন অনেক দক্ষ পরিচালক আছেন যারা তথাকথিত নামি পরিচালকদের চেয়ে কিছু কম নয়, বরং আরও উৎকর্ষ। তাঁরা কোথায়? তাঁরা আমাদের মধ্যেই আছেন। হয়ত মিডিয়া, সঙ্গত কারণে তাঁদের ড্রাম পেটায় না, পাছে তাদের তৈরি সাব-মিডিউক্রিটি ‘সেলেবরা’এদের জোয়ারে ভেসে যায়। যে প্রযোজকরা ছবি করে, তাদের সেই মানসিক বিন্যাসই নেই, এদের কদর করার। ছবি করতে চাইলে, বিধাতার মতো প্রযোজকরা একশ গণ্ডা শর্ত পাড়ে তা কোনও শুভবুদ্ধিসম্পন্ন লোকেরই গেলা মুস্কিল। যারা মিডিওক্রিটি তারা আসলে অপদার্থ। যোগ্যতা না থাকায়, তৈলমর্দন করে টিকে থাকার মরিয়া চেষ্টা। যারা কাজটা জানে বা ন্যূন চিন্তাধারার প্রবর্তক, তাদের আত্মসম্মান বা রুচিতে বাঁধে এসব নিয়ে সময় নষ্ট করতে। গোলামি করা বাঙালিদের, মোসাহেবি যে মাজায়। এই দ্বিতীয় শ্রেণি আগামীর রূপকার। তাই মরিয়া হয়ে এদের বহিঃপ্রকাশে হস্তক্ষেপ। প্রচারের দাপটের অন্তরালে প্রকৃত রোশনাই আঁধারে। ফিউজটা জ্বলে যায় প্রথম শ্রেণির প্রচারের দাপটে। দ্বিতীয় শ্রেণি মায়াবী রাতে, তারাদের দিকে উদাস বসে স্বপ্ন দেখে পরিবর্তনের। স্বপ্নের তারাগুলোকে ছোঁয়ার আশায়। কবে আবার নতুন তারা ফুটবে? জীবনটা আবার নিওন আলোর বাইরে, নতুন চাঁদের আলো দেখবে? কবে আবার আজটা কাল হবে, পরশুটা আজ? 

করোনার প্রকোপ, প্রকৃতির ভ্রুকুটিরঙ্গে, যে পরিবর্তন একদিন মাঝরাতের অলীক স্বপ্ন ছিল, আজ বুঝি নিয়তির পরিহাসে দোরগোড়ায়। যে ডুবন্ত বাংলা চলচিত্র ভেন্টিলেটারে মৃত্যুহীন কোমায়, ব্রেন ডেড হয়েও বেঁচে ছিল, পৃষ্ঠপোষকতার দম্ভে অজেয়, সৃষ্টিশীলদের মধ্যে বিষ ছড়াচ্ছিল, দম বন্ধ করা এক বাতাবরণে, বাধ্য করছিল আপামর সাধারণকে গিলতে, আজ বুঝি প্রকৃতির রুদ্ররোষে সেই যুগ সন্ধিক্ষণে। অন্যায় যখন মানুষের ক্ষমতার কাছে নতি স্বীকার করে, যখন যুগধর্মের নামে অধর্ম বিচরণ করে। তখন ভারসাম্য আনতে প্রকৃতির আত্মপ্রকাশ। 

যদা যদা হি ধর্মস্য গ্লানির্ভবতি ভারত অভ্যুত্থানমধর্রমস্য তদাত্মানং সৃজাম্যহম্ ।।

পরিত্রাণায় সাধুনাং বিনাশয় চ দুষ্কৃতাং ধর্মসংস্থাপনার্থায় সম্ভবামি যুগে যুগে ।।

(ভগবদ গীতা ৪, ৭-৮)

এমনিতেই লোকে আধুনিক বাংলা ছবি প্রেক্ষাগৃহে গিয়ে বেশি দেখত না। করোনা মহামারির দৌলতে লকডাউনের জন্য লোকে ঘরবন্দি। বিনদেনের জন্য নেট-এ এত ছবি ও ওয়েব সিরিজের ছড়াছড়ি – নেটফ্লিক্স,অ্যামাজন, জী, হটস্টার, ভুট, জিওসিনেমা, ভোডাফোন প্লে, এয়ারটেল এক্সস্ট্রিম, হাঙ্গামা, কমতি নেই। আগে প্রেক্ষাগৃহে দেখার অভ্যাসটা এখন নেটের ওপরই নির্ভরশীল। এই সময়, লোকে নেটে ছবি দেখায় অভ্যস্ত হয়ে গেছে। প্রেক্ষাগৃহ কবে খুলবে, কেউ জানে না। খুললেও মহামারির আশংকায় ওখানে ক’জন যাবে, বলা মুস্কিল। তারপর যদি অর্থহীন বাংলা ছবি হয়, নৈব নৈব চ। ফিরে সেই ওয়েব। এই কম্পিটিশনের বাজারে, যেখানে এত ছবি ও ওয়েব সিরিজ, গুণগত মান নিকৃষ্ট হলে, ধোপে টেকা মুশকিল। খারাপ হলে তো কথাই নেই। প্রচারের আতসায্যও, নিশ্চিত মৃত্যুর মুখ থেকে ফেরাতে পারবে না। ডাল-ভাত গেলা বাঙালি কিন্তু এই লকডাউনে বিরিয়ানিতে অভ্যস্ত হয়ে গেছে। মোগলাই ভোজের পর কী পান্তাভাতে ফিরে যেতে চাইবে? মনে তো হয় না।

যারা এতকাল বাংলা ছবিতে আধিপত্যের নামে তাণ্ডব করেছে, এবার বুঝি বিচারের কাঠগড়ায়। উচ্চ মানের ছবি কর, নইলে ফুটে যাও। জগতব্যাপি করোনা প্যান্ডেমিকের বিস্তৃতেতে, বিদেশের মনোরম দৃশ্য দিয়ে ভরান অর্থহীন ছবির ছবির শুটিং যে কবে হবে, কেউ জানে না। এই অবস্থায়, গিমিক ছেড়ে উৎকর্ষ মানের ছবিই বাঁচার পথ। ভেন্টিলেটার থেকে শ্মশান ঘাট, না সর্বনাশ থেকে ফিনিক্সের মতো পুনরুজ্জীবন, মাহামারির লকডাউন তারই ইঙ্গিত।

সৃষ্টি তুমি আত্মদহনে জ্বল, যদি নতুন সুরে, নতুন তানে, না কিছু বলিতে পার।

একবিংশ শতাব্দীর নতুন বার্তা। সময় হয়েছে রবীন্দ্রনাথ থেকে বেরিয়ে রাবিন্দ্রিক চেতনা আর অন্যদের গল্প চুরি না করে, ঊর্ধ্বে উঠে, নতুন কিছু করার। নইলে রবীন্দ্রনাথকে সঙ্গী করে ক্রমশ বাঙালির অপমৃত্যু। সেখানেই কৃষ্টির প্রগতি নতুন কথা বলার। ‘এখন করিছে গান সে কোন নতুন কবি তোমাদের ঘরে?’ সেই বিশ্বচেতনার স্রষ্টাকে আগামী পুনরায় বরণ করবে সৃষ্টির চিত্রগাথায়। যা প্রচারের দাপটে প্রকট না হয়েও সদা প্রোজ্জ্বল। হাজারও ব্যর্থতার মধ্যেও পথের দিশারি। আগামীর পাথেয়। নাই বা রইল উচ্ছ্বাসের ঘনঘটা। নাই বা রইল বর্ণের বর্ণচ্ছ্বটা। ধূসর বর্ণহীন নিরাম্বরের মধ্যেই হোক সেই ‘ব্যাথার পূজার সমাপন’ নতুনের উদ্ভাসে। চিত্তের মুক্তি। আগামী চলচ্চিত্রের নতুন চিত্রগাথা। নতুন প্রাণের জোয়ারে ভাসা বলিষ্ঠ পদক্ষেপ। যা আতসবাজী ছড়াবে নিঃশব্দে, নীরবে, সন্তর্পণে আগামীর দেওয়ালি উৎসবে। 

বন্ধুবর আশিস চট্টোপাধ্যায়ের কলম তারই দিশারিঃ

‘জীবনের ঝরে পড়া ধানগুলো 

খুঁটে খুঁটে খেয়ে চলে স্মৃতির পাখিরা 

ওগো ব্যাধ তুলো না গাণ্ডীব  

তার চেয়ে হও তুমি নীল বাতিঘর  

দেখাও দিশার আলো নিশার আঁধারে

আজকের অন্ধকারের দমকা আলোর রোশনাই-এর মধ্যে সেটাই তো আগামীর বীজ মন্ত্র। খরাতপ্ত আকালের মধ্যে বর্ষার আগামী না-চেনা মেঘমল্লার। নতুনের স্ফুলিঙ্গ।   

প্রচ্ছেদঃ আদিতি চক্রবর্তী

জননী মহাবিশ্ব

via জননী মহাবিশ্ব

বাংলা সংস্কৃতি একবিংশ শতাব্দীতেঃ প্রাসঙ্গিক রবীন্দ্রনাথ

via বাংলা সংস্কৃতি একবিংশ শতাব্দীতেঃ প্রাসঙ্গিক রবীন্দ্রনাথ

Year of Rebirth – A Vision of the Future World

With the globe swamped by a pandemic we are left with two options – live daily in fear, oblivious of the providence or delve deep into self-audit. Why this debacle? What went wrong for this microscopic Corona virus to cruelly shake the world. Change is a dynamic process occurring continually. But major ones come at certain periods with a specific purpose in the global ensemble. Before we dig into its merits and demerits, time to look at its past, evaluate the present and envisage the future.

Though a mythology, the fable of Noah is depicted in most of the primeval literature. In Abrahamic religions, in the Book of Genesis (Chapter 5 to 9) in Hebrew Bible, Noah was depicted as the 10th and the last of the pre-flood patriarchs. According to the Genesis account, he toiled loyally to build an Ark at God’s command, finally saving not only his own family, but mankind too. In addition to the Book of Genesis, Noah is cited in the Hebrew Bible, in the First Book of Chronicles and those of Tobit, Wisdom, Sirach, Isaiah, Ezekiel, 2 Esdras, 4 Maccabees. In the New Testament, in the gospels of Matthew and Luke, the Epistle to the Hebrews, 1st Peter and 2nd Peter. Noah was extensively elaborated in the Quran (Surahs 71, 7, 1, and 21) which contains forty-three references of him or Nuḥ. Sūrah Nūḥ, especially the story of the Deluge is named after him. His life is exposit in Islamic annotations and folklores. In Islam he is described as the ‘True Messenger of God’ (XXVI: 107) and ‘Grateful Servant of God’ (XVII: 3).

Though the origin might’ve been during the reigns of the archaic kings (65,000 BC to 18,600 BC) there isn’t any conclusive evidence. It was first described in the earliest Sumerian Gilgamesh poems as early as the Third dynasty of Ur (2100–2000 BC) and the restitution of order by the First Dynasty of Isin. Later it was compiled in the Epic of Gilgamesh (2700 BC) as the Utnapishtim. The Mesopotamian Gods were infuriated by human noise from the earth. To quell them they decided to send a great flood. Noah is also described in Ancient Greek mythology as Deucalion, the son of Prometheus and Pronoia. In our Hinduism the  story of Lord Vishnu and King Manu in Matsya Purana is a depiction of the same. He is described in Rabbinic Judaism. The Bahá’í Faith regards the ark, flood to be symbolic. Their belief was only Noah’s followers were spiritually alive, protected by the ‘ark’, the rest spiritually dead. Their scripture Kitáb-i-Íqán endorses the Islamic belief that Noah had numerous companions on the ark, with his family.  He preached for 950 (symbolic) years before the flood.

The basic significance is the prophetic omen were those who obeyed Him would be rewarded, those not would be penalised. This is an echo of our Bhagavad Gita:

‘Yada Yada Hi Dharmasya, Glanirva Bhavathi Bharatha,

Abhyuthanam Adharmaysya, Tadatmanam Srijami Aham

Praritranaya Sadhunam Vinashaya Cha Dushkritam

Dharamasansthapnaya Sambhavami Yuge-Yuge’

Which means, whenever there is decay of righteousness O! Bharata, a rise of immorality, I manifest Myself! For the protection of the good, for the demolition of the wicked and for the founding of virtue, I am born in every age (Bhagavad Gita Chapter IV 7-8). It’s an echo of the end of the Third Dynasty of Ur (2004 BC) with the restoration of order by the First Dynasty of Isin in the Mesopotamian flood myth.

Mythology has a covert message amid a storyline. People read them as a story. Seldom they imbibe the furtive message. They plunder the world, engage in wars, destroy Nature and fight for absolute global monarchy. They forget the misery they impose in their zeal for supremacy destroying the Mother Earth. ‘Dharma’ isn’t about religion, it’s about virtue. That is, what’s right for the Mother Earth to uphold its harmony or energy balance. Faced with a disaster the arrogant, haughty humans are tossed into a vortex of eddies, only to forget why it occurred in the first place. They continue in a similar stride until another disaster re-strikes. Only a few ponder the rationale of the Mother Earth. Noah’s story might be a fable. It teaches a vital truth. Those who obey ‘dharma’ or virtue would be saved from such a calamity or in other words abide by the laws of Nature. The paradigm is universal than focal.

In my hypothetical geo-economic global thriller Pursuit written in 2012, I echo this truth through the words of a blind Buddhist monk Panchet Dzongpa “Nature has its own course. So does history. Energy balance of earth is in dynamic equilibrium. Whenever it goes topsy-turvy Nature plays its role. The global resources are limited. Demands are steeply rising. To maintain the equilibrium, either resources need increase or demands curbed. No way natural resources could be escalated. To bring equilibrium the demands have to be curbed. Several ways by which this could happen. Natural disaster, war or earthquake. Death is inevitable to maintain the equilibrium”

A harsh truth often ignored. History highlights its varied forms of manifestation.

Natural disaster is a major adverse event due to earth’s natural process. It could cause loss of life or damage property, and usually leaves some economic damage, its severity depending on the affected population’s resilience with the available infrastructure. These could be geological disasters as avalanches, landslides, earthquakes, sinkholes or volcanic eruptions. Or hydrological ones as floods, tsunamis or limnic eruptions. Often it presents as meteorological ones as cyclonic storms, blizzards, hailstorms, ice storms, cold or heat waves, droughts, thunderstorms or tornadoes. Sometimes as wildfires and space disasters. History has seen a series of the worst disasters as Antioch earthquake of the Byzantine Empire (Turkey)(526), Haiphong Typhoon in Vietnam (1881),  Bhola Cyclone in East Pakistan (Bangladesh) (1970), Haiti earthquake (2010), Shaanxi earthquake (1556), Typhoon Nina, China floods (1931), Yellow River flood (1887), Tangshan earthquake (1976), Haiyuan earthquake (1920), Great Chinese famine (1958 to 1961) the latter ones in China. These were few of the deadliest natural disasters.

Humans lodged wars not for survival, but their intrinsic greed for power, control, supremacy or economic gains. Numerous wars causing loss of lives were fought from the ancient, medieval to modern times. To name a few French Wars of Religion (1562-1598), Thirty Years of War (1618 to 1648), War of Spanish Succession (1701 to 1714), Napoleonic Wars (1803 to 1815), Taping Rebellion (1850 to 1864), Dungan Revolt (1862 to 1867) and of course the World War II (1939 to 1945) had caused considerable loss of human lives.

Likewise, the pandemics also added to the ‘floods’ of Noah’s mythology. Of them, The Plague of Justinian (541 to 542), Black Death (1346 to 1353), Third Plague (1855 to 1860), Spanish Flu (1918 to 1920), Smallpox (1877 to 1977) had the greatest toll on human lives. Now with the advent of the Covid19 pandemic we are in the midst of another calamity.

The message of Mother Nature is clear – the global dynamic equilibrium is lost. Nature has resorted to preserving its balance. This would entail a healthier, safer, cleaner environ eventually leading to a global shift.

In my view, in addition to Nature’s purification, it’s aimed at a global shift of energy. We are aware of the different forms of energy as chemical, mechanical, electrical, light, radiant, thermal, nuclear, motion, sound, elastic and gravitational energy. New energy sources are being explored. With natural resources shifting paradigms, this is a juncture of shift towards new sources. Fossil fuel would soon be depleted.  Are we looking for a nuclear fission energy or aiming to harness fusion energy? Wind, tidal, solar, geothermal, biofuel have their limitations. Or would the world evolve to the Vimana ages of Laghimā or levitation (anti-gravity) by use of super-conductors? The prediction of new energy source eruption due to collision of the global plates in the Himalayan belt was already predicted in my book Pursuit. Only time has the answer.

The aim of Nature is for the flourishing of a new world in a pollution-free environ with new sources of energy for a healthier living. Lord Alfred Tennyson might’ve been right in his Morte d’Arthur poem:

The old order changeth, yielding place to new,

And God fulfils Himself in many ways,

Lest one good custom should corrupt the world’

In light of the present, whether it could be termed as a ‘good custom’, is something that needs re-assessment in a new light. Whatever be its nomenclature, an imminent change is on the cards. The Biblical myth of a Damien might be the saviour of 21st Century. As the world prepares for a new Damien, we notice the 666 has already subtly morphed to its new form WWW. With the net boom its practical application in pandemic has increased. In a way, it’s subtly compelling people to go digital. In all possibility, that would take over the reins with the restrictions of human contact.

Economic scenario would also see a shift from past energy sources to a fresh crop of new ones, resultant financial crunch the prime cause. With the shift of global geo-economics, the political scenario is likely to change. Amid the failed isms, a new ism could emerge carving the path of a new era. Political monopoly in the form of man-made bodies as the United Nations might fall apart or be baptized in a new mantra, both in structure and form, to one of true service to mankind. The old cultural milieu could well dissolve bringing forth new ideas, more productive than its predecessor. A shift to a digital form away from its physical nature most likely. The scientific arena could see new innovations catering to the rebirth.

Politicised religion, responsible for numerous deaths over centuries could witness its demise with the birth of a new Messiah chanting the mantra of humanity, so far in oblivion. Humanism could take over from the varied forms, history witnessed so far. With the time in quarantine, people now have enough opportunity to dig inwards, to purify their soul from extraneous vices. It would trigger the inner energy on the concept of Soham, a putative mantra which means ‘I am He’ or fusion of individual with the Mass Universal Energy, a step towards ascension to the Saturnine path of salvation or energy fusion accepting its transmuted form.

It hails a rise of the phoenix from the ashes of the present. There isn’t an easier way of learning for resurgence. It’s a rigid, tedious way to perfection. Only with self-audit, self-actualisation and rectification of past errors, a New World could emerge from reverie to reality, even it involves a colossal sacrifice.

 

Khajuraho’s Fiasco

“Nobody is interested in pure classical dance nowadays” Gita warned.

Nandini wondered why all pursuits had to be linked to a purpose. Couldn’t for once, someone step out to do something simply for pleasure? At leisure. It was not easy to explain it to Gita. Her livelihood was by dance tuition. Against the norms it would be quaintness. But oddity had its own charms even if it was fleeting.

“Just for the heck of learning”

“Think again, dear. It’s not that easy” Nandini could sense Gita’s apathy.

For most, pursuit minus rewards looked bizarre. They ignored the elegance of pleasure with its charms.

“Because I want to…”

“Think twice, dear”

Peeved Nandini was pissed off. As if, Gita owned the classical genre! She would give access to those whom she deemed best. Nandini might not be an exponent of Bharatanatyam like her, but her zeal couldn’t be annulled. She was no novice. Not only had she danced in local stage performances, she had some grooming of Allaripu, Koutubhyam, Ganapati Vandana[1] under another exponent Karuna. With the load of college studies, it was tossed to the archives. She now desired to pursue it with renewed zeal, more so with Gita, as she was a direct disciple of Maruthappa Pillai. The pleasure of pursuit was vital than the end.

Impulsively she registered for the university dance competition. By dint of luck with her effort she bagged the first prize, which included a chance to participate at Khajuraho Dance Festival. Ecstatic at her feat without Gita, she decided to try her luck with Shringaar and Padam [2] at the fest.

In the last week of February when the winter trailed the onset of spring, she reached Khajuraho[3] from Jhansi late afternoon by a train. Locking herself in her room, she lazed prone in her blue satin lingerie, flipping through the brochure of Khajuraho picked from the lobby. The Chandela Rajputs had erected 85 temples in central India between 950 and 1050 BC, of which only 22 persisted. The Chandelas in line with tantric views supposed one could attain Divine ascent through carnal pursuits. Others opined the erection of the temples were a conduit of mutation from brahmacharya[4] to marital bliss.

“Prep from tomorrow” much to her displeasure, Ritabrata barged in without knocking.

She swiftly collected her sartorial “As you prefer, sir”

Her coach escort Nattuvanar Ritabrata raised his eyebrow peeping at the strewn brochures of the erotic temples.

“Khajuraho’s catalogue. Got it from the lobby”

“Erotic! Eh?” he tried to bridge the gap.

“Was reading the history of Khajuraho”

“Who’s interested in the history when you’ve such alluring erotic statues?”

“Me” she cut him short. She wasn’t keen on intrusion of her privacy. Noticing him move to the edge of the bed, she cut him curtly “It’s been a weary trip. Want to freshen up. Join you tomorrow at seven sharp”

For the sake of decency, much to her relief, Ritabrata had no alternative, but to exit. Alone in her room, she gauged herself in the mirror instinctively, comparing her curves to the sculptures, from varied angles. Smooth silky lustrous flawless skin, her hairs curled to the shoulders. Her nimble ocean-deep blue intoxicating eyes with a right lower lid lag had a serene aloof rhythm with the colossal ocean. From childhood the heavy nose tip was the cause of concern.

“Rhinoplasty in a sebaceous skin isn’t satisfactory” consultation with the plastic surgeon wasn’t promising.

‘No one is picture-perfect’ she consoled herself. Her scrutiny slid to her droopy boobs. Projection was due to the underwired bras. The doc refused a mastopexy as she was single. The bulge below armpits revealed further in her sleeveless. She had once thought of liposuction but couldn’t afford.

“What’s the final stake?” Ritabrata checked at onset of rehearsals.

“Varnam”[5] she had made up her mind in the train trip.

“So, we’ve to start from Paad Varanam. The gayaki is prime”

“As you say” Nandini adjusted her red salwar kameez.

“Are you sure you won’t run out of breath for half an hour? It’s a long piece”

“I can manage” she was firm.

“Let’s start with the 8 beat Aadi taal, then move on to 14 beat Aat taal. Know the difference?”

“Yes sir. I’m aware of Ultaranga and Purbaranga

“How much?”

Purbaranga is the first part. It consists of Pallavi, Mukta Pallavi and Chittaraas

Pleasantly surprised Ritabrata noted her grit.

“Ultaranga?”

Charanam and Charan Saras

“Let’s organize them. Let’s start with Pallavi or Anu Pallavi in double or triple speed. Then Muktai Swaranam. Finally move onto eight groups of Charanam. Can you?”

“See for yourself”

She dug into rigorous practice corrected by Ritabrata as necessary, until the morning scurried to luncheon. She was hell bent giving her best. Ritabrata focused not only on her practice, but her curves too, as she gyrated to every rhythm of the bol[6]. She was not the first, whom he had escorted to the fest, but she was way apart.

Post lunch, he asked “Now?”

“Siesta”

“See you back at five”

“Can we make it four? Need more practice”

“Fine. See you at four then”

 

The lighting on the Chitra Gupta and Vishwanath Temples emitted an aura of medieval times. She imagined the apsaras dancing at its premises. The open-air theatre was a flat stony area in-between the steps of the temple. The next landing served as the podium where dancers exhibited their skills amid adroit lighting.

Once seated, she desired to be excused “Mind if I wander around the temple premises?”

“Want me to escort you? You don’t know its design”

She wasn’t keen on him escorting her, lest he began his know-how on erotic art. She hadn’t overlooked his coveting stare during the rehearsals.

“I can manage”

She was fascinated by the grandeur of the sculptures. It reflected the century-old poise and the sombreness. Thirteen steps from the audience, the podium was on flat greyish pink stones – the pilgrimage of her dreams.  Further thirteen step ascent lead to the sanctum sanctorum. Why thirteen? She was set to scout. The main temple was like a spacecraft aiming for the sky. Was it a depiction of aliens from outer space as in Chariots of the Gods[7]? Or Shiva Lingam, a phallic representation of the inherent ego of mortality, to be reincarnated with the age-old aura of superiority?

Nandini returned beside Ritabrata as the competition had begun. It was restricted to classical dance forms like Bharat Natyam, Kathhak, Kathakali, Manipuri, Kuchipudi, Odissi, Mohiniattyam[8]. She was nervous on noticing the skills of the performers. She vowed to give in her best, even if it did not fetch her any awards.

“From tomorrow, I’m not going to waste my time here. Plenty of prep left”

“We’ve couple of days more…”

“Want to make the most out of it”

Her commitment added a pudding over her curves. Ritabrata realised her allure was compounded in entirety.

At the onset of twilight, with genteel breeze cuddling the parting rays of the setting sun, Nandini took to the podium. She was flying like a quill from Pallavi, Anu Pallavi, Muktai Swaranam to Charanam, in tiddly zealous vigour to paint the ‘picture perfect’ with the bol-sangam-mridangam, the fourteen beats in visual attire in perfect sync, offering her humble tribute to the Lord. An impetus was driving her to paint a new image on a fresh canvas. The artist and the canvas swapped roles, with every stroke of the brush, emitting a mystic riot of colours, beauty, beats, notes and rhythm.

 

“Brilliant” Ritabrata walked into her room. She had just washed her greasepaint to freshen up, still in a trance over the eve’s enactment. Excitement, madness, reflection and toil mingled into magical fervour. Stunned, irked at his lack of etiquettes, in her elegant attitude, she courteously replied “Thanks”, not overseeing his input in the outcome, though she preferred to be on her own.

Ritabrata settled in the chair ogled “Calls for a celebration”

She was silent trying to revert from the trance.

“Teachers whiskey with the menu please” Ritabrata called the room service. Turning towards her, he said “Expenses on the house. Be my guest for the eve”

She wasn’t left with much of a choice, but to conform. After all, she owed her feat partly to him, willy-nilly of the outcome.

“I’ve been to this fest before. But this time it was different. The credit is yours” Ritabrata chanted “The temples depict Krishna Leela[9] with the gopinis[10] in those erotic figurines. I adore beauty” he paused “Your beauty”

Distraught with rising unease, she was in quest of vent from his advances “Do you feel, I’d make it?”

“Don’t know how the judges would evaluate. Your poised lusty figure, feisty act, reminded me of Shiva. Don’t you fancy adoring a living one?”

“What do you mean?” fumbled Nandini.

“What’s the point in adoring a stone figurine when a mortal lingam awaits your pleasure? Humans are pageants of God. You’ve the opportunity to finish your unfinished Shiva worship here”

Ignoring her shock, he matted her in ardent kiss.

“Stop it” a scared Nandini tried to wiggle past his firm grip. He belligerently leaped on her, pushing her to bed. It felt like million centipedes swarming over her. In vain, she tried to heave him wildly only to realise he was stronger. His hands mauled her breasts, spread her legs, his erectile virility pushed into her chink. The mortality redressed in the demon spirit over a religious myth spelt the timeless carnal adage. Her vim sapped as she drifted like a quill into his carnal tornado.

The consolation prize was a mockery. Her Divine worship stonewashed in mistrust. Her devotion, grit, flair axed at the altar of thousand-year-old art. A reprisal on Gita was secondary.

Her helpless femininity pleaded in shush to the diffusing sun ‘For Heaven’s sake, let not anyone build another Khajuraho’

 

 

 

 

 

[1] Dance pieces of Bharat Natyam

[2] Dance pieces of Bharat Natyam

[3] Khajuraho Group of Monuments is a group of Hindu and Jain temples in Madhya Pradesh, about 175 km southeast of Jhansi. The temples are famous for their nagara-style architectural symbolism and their erotic sculptures.

[4] Brahmacharya is a virtue meaning celibacy when unmarried

[5] A piece of Bharat Natyam dance

[6] Beat

[7] Erich von Daniken’s Chariots of the Gods (1968) is a monumental work to introduce the shocking theory that ancient Earth had been visited by aliens.

[8] Classical dances of India

[9] Frolic of Lord Krishna

[10] Damsels

 

Khajuraho’s Fiasco

Create a free website or blog at WordPress.com.

Up ↑

StormyPetrel

আমার মনের মাঝে যে গান বাজে,শুনতে কি পাও গো?

Writcrit

Creative and Bookish

The Blabbermouth

Sharing life stories, as it is.

Prescription For Murder

MURDER...MAYHEM...MEDICINE

Journeyman

Travel With Me

কবিতার খাতা

কবিতার ভুবনে স্বাগতম

NEW MEDIA

LITERARY PAGE

Coalemus's Column

All about life, the universe and everything!

Ronmamita's Blog

Creatively Express Freedom

যশোধরা রায়চৌধুরীর পাতা

তাকে ভালবাসি বলে ভাবতাম/ ভাবা যখনই বন্ধ করেছি/দেখি খুলে ছড়িয়েছে বান্ডিল/যত খয়েরি রঙের অপলাপ/আর মেটে লাল রঙা দোষারোপ

Kolkata Film Direction

Movie making is a joyful art for me. I enjoy it as hobbyist filmmaker - Robin Das

arindam67

বাংলা ট্রাভেলগ

The Postnational Monitor

Confucianist Nations and Sub-Sahara African Focused Affairs Site

TIME

Current & Breaking News | National & World Updates

বিন্দুবিসর্গ bindubisarga

An unputdownable Political Thriller in Bengali by Debotosh Das

rajaguhablog

Welcome to your new home on WordPress.com

জীবনানন্দ দাশের কবিতা

অন্ধকারে জলের কোলাহল

%d bloggers like this: