মৃত্যুটা আসবে জেনেও

কেউ অপেক্ষা করে না দিন-ক্ষণ।

জীবন-মৃত্যুর নাগরদোলায়

বাঁচে রাতদিন সর্বক্ষণ।

দিনকে বাঁচাতে, রাতকে করে মধুময়

লোভাতুর অস্তিত্বের চাহিদা সর্বসময়।

অচেনা ভয়, অজানা আতঙ্ক

সরীসৃপ হয়ে আত্মপরিচয়।

মহামারি রূপে দোরের আঙিনায়।

কাঁপে পৃথ্বী, কাঁপে মরে-বাঁচা হৃদয়।

জোনাকি জ্বালাতে পারে না

আসল সন্ধিক্ষণ সময়।

মন শুধু ধরতে চায় অতীত লক্ষ্মণ

অবচেতন নিয়ে জীবনের প্রতি ক্ষণ।

ভয়ডরহীন জীবন যাপন।

রাত ভোর বিনিদ্র নিশা

জাগায় সন্ধিক্ষণে বাঁচার তৃষা।

জীবনের চাঁদে হারানোর দিশা।

প্রভাত আসে প্রকৃতির ফেরে

জীবন ভাসে নতুন দুয়ারে।

অতীতের মরীচিকা জীবন স্বপ্ন

ভাতিয়ারের সুরে প্রভাতির অঙ্ক।

 

জীবন তো মৃত্যুর অন্য দিক

যেমন চাঁদের বুকে লেখা ছায়ার টিপ।

জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণ খেলাঘরে

শাশ্বত প্রাকৃতিক মহাবিশ্বের সামঞ্জস্যের অঙ্ক
ভিন্ন ভিন্ন রূপে সন্তর্পণে, নিভৃতে, অলক্ষ্যে
সত্য চেনাতে বহুরূপী হয়ে খেলা করে।