কৈশরে ফ্রক পরা বর্ষায় দাপাদাপি

যৌবনে ভেজা শাড়ি প্রস্ফুটিত স্তনখানি।

অ-দেখাকে দেখার, অ-চেনাকে চেনার

হস্তমৈথুনে মুক্তির নতুন সুবাস

কামনা পরিতৃপ্তির এটুকু অবকাশ।

স্বপ্ন একে দিত না-পাওয়ার সুপ্ত অভিলাষ।

বর্ষা কখন আসবে, ভেজাবে তোমাকে

যৌবনের স্ফুরণ ভাসবে নতুন রঙে।

তখনও কামনা শুধু দৃষ্টির তৃপ্তি।

কবে তোমায় কাছে পাব এই বিনতি।

যৌবনে চুম্বন প্যাগোডার আঁধারে,

তখনও খুঁজছি তোমাকে স্বপ্নের বিভোরে।

তোমার উন্মুক্ত স্তনে উষ্ণ মুখ

খুঁজছে কামনার পরিত্রাণ, স্বপ্ন বিমুখ।

নিবিড় আলিঙ্গন থেকে স্বপ্ন ফুলশয্যায়।

স্বপ্ন ভাঙল অবারিত শরশয্যায়।

আবার স্বপ্ন অশ্লেষা বহ্নি ঘিরে

বাসর আঁকব বিয়ে-পূর্বে মধুচন্দ্রিমার নীড়ে।

সেখানেও তুমি ব্যাপারী।

প্রবাসী অ্যামেরিকান শিকারি।

 

মেয়ে তো পেলাম বধূরূপে অপরূপা।

পেলাম কী বর্ষা, স্বপ্ন বাসর শিখা?

স্নাত, তবু বসন পরিহিত শিক্ত দুহিতা।

তুমি আমার স্নাত প্রেম, স্বপ্নের মিতা।

দৈহিক মধুচন্দ্রিমা ভুলে

বাসরকে অবজ্ঞায় পেছনে ঠেলে

বর্ষায় শান্ত স্নিগ্ধ অনাড়ম্বর স্বপ্ন লিখা।

স্বপ্ন তো বাস্তব থেকে কুড়িয়ে পাওয়া ছবি।

নিঃশব্দ প্রেমের না আছে কোনও বর্ষাস্নাত ছবি।

না আছে কালকের দৃপ্ত আলোকে

হারানো বর্ষার ক্লান্ত বাকহীন দ্যুলোকে।

Advertisements