রবীন্দ্রনাথের জন্মের দেড়শো বছরেরও বেশি সময় অতিক্রম করার পর একবিংশ শতাব্দীতে বাংলা সংস্কৃতির দিকে ফিরে তাকাবার ইচ্ছেটা থাকেই।

আমি অন্তত আজকের প্রতিষ্ঠিত অস্তিত্ব সংকটে জর্জরিত কোনও ‘মহান কেউকেটা’ সংস্কৃতির বাহক নই যে, কালচক্রে, টাইম মেশিনে নিজেকে স্থগিত, রুদ্ধ, আবদ্ধ করে বলব “রবীন্দ্রনাথ ছাড়া তো আমরা কিছুই ভাবতে পারি না।” সেটা রবীন্দ্রনাথের মহত্বের কাছে নতি স্বীকার, না নিজেদের দৈন্যকে আড়াল করার চেষ্টা, নাকি নিজেদের শূন্যতাকে রবীন্দ্রনাথের মলাট দিয়ে পাতে দেওয়ার যোগ্য করে তুলতে চাওয়া- বোঝা শক্ত। রবীন্দ্রনাথের মহত্ব নিয়ে বিশদভাবে লেখা ও বলা হয়েছে। তাই ওনার প্রতিভা বা সৃজনীশক্তি সম্বন্ধে কিছু বলা নিষ্প্রয়োজন। প্রাসঙ্গিক তাঁরা, যাঁরা রাবীন্দ্রিক অলংকারে ভূষিত হয়ে ক্ষয়িষ্ণু বাংলা তথা বাঙালি সংস্কৃতির বাহক হয়ে দাঁড়িয়েছেন। প্রশ্ন জাগে, রবীন্দ্রোত্তর যুগে বাংলা সংস্কৃতি কতখানি এগিয়েছে।

তথাকথিত গৌরবোজ্জ্বল বাংলা সংস্কৃতির অগস্ত্যযাত্রা বেশ কিছুদিন আগেই শুরু হয়েছিল। বিশ শতকীয় কুলীন স্বর্ণযুগের অবসানে তা এক নতুন মাত্রা পেল। একবিংশ শতাব্দীতে কিছুটা এগনোর পর বেশ বোঝা যাচ্ছে, দেশি মিডিওক্র্যাটদের মধ্যমেধার দাপটে সেই সংস্কৃতি যৌবনের…

View original post 1,787 more words