Search

Month

October 2015

বাঘস্বপ্ন

হে সূর্য

তোমার উত্তপ্ত আশ্রয়ের মধ্যে

আমাকে বাঁচতে দাও,

সুস্থ সবল হয়ে।

যেদিন পৃথিবী তার কক্ষ থেকে

হারিয়ে যাবে অসীম মহাশূন্যে।

সেদিন হয়ত, নোয়ার মতন

কোন এক নৌকো

আমাকে ভাসিয়ে নিয়ে যাবে না

জীবনের দ্বারে।

পুরশ্চরণের সেই মহোৎসবে

আমিও হারিয়ে যাব

বিধ্বংসী বন্যার আড়ালে

তমসাবৃত রাতের অন্ধকারে।

আজ যখন নিস্তেজ শ্মশানে দাঁড়িয়ে

ছোট ছোট অগ্নিকুণ্ডের মতন

হারিয়েছি বিধ্বংসী লাভার স্রোতে

শ্মশান চুল্লির দ্বারে

আবার নতুন করে

বাঁচতে দাও

ছোট্ট একটা ধ্রুবতারা হয়ে।

Advertisements

বিহঙ্গ

আমি কী মুক্ত বিহঙ্গের ডানা কাটা পাখা?

আমি কী আমার আমির মধু আস্বাদনে মাখা?

আমি কী আমার আমিত্বে ক্ষয়ে যাওয়া এক পুতুল?

আমি কী ব্যর্থ আমার আমিত্বের না-চেনা মহিমায় মশগুল?

আমি কী হারিয়ে গেছি তোষামোদি লবির আড়ষ্টে

আমার হারানো আমিকে পুনঃ প্রতিষ্ঠা করতে?

আমি কী হারিয়ে গেছি আমাকে ভুলতে

নিজের আমিকে ভুলে ওদের জানতে?

আমি কী হারিয়ে গেছি দহিতাকে বাহু দিতে?

আমি কী হারিয়ে গেছি নিজের আমিকে চিনতে?

আমার আমি এক নির্বাক অন্ধকার

আমার আমি খোঁজে বিহঙ্গের ভার।

আমার আমি এক সুপ্ত অহংকার

পঞ্চম স্বর্গের ষষ্ঠ স্রোতে

খোঁজে আমার  ধুল্যবলূণ্ঠীত অহমের না-দেখা সমীহার।

আজীবন খুঁজে ফেরা আমিত্বের নিঃশব্দ অঙ্গিকার।

আমার আমি গুমরে কাঁদে নিশুতিতে

ব্যর্থ অহংকার ভরা না-পাওয়া

অবলুণ্ঠিত জীবনের না-দেখা প্রভাতে।

একটা না-পাওয়া সেলাম।

করে আমার আমিত্বের স্বপ্নকে বলিয়ান।

আমি তো নই দিক্বিদিক নিশ্চিহ্ন কারও ল্যাজ ধরা পুচ্ছ

নপুংসকের চেয়েও অধম কাউকে করতে সেলাম।

আমার আমি কি বিকিয়ে গেছি কাউকে করতে ম্যুহ্যমান?

আমার বিহঙ্গ পাখনা মেলে আমার চেতনাকে সেলাম।

অবলুণ্ঠিত বিহঙ্গ

নীরব শব্দ শেখায় আগামী দিনের গান,

আগামী পৃথ্বী ডাকে আমাকে গড়তে কালকের প্রণাম।

মূর্খ অথর্ব এক চাওয়া ওঠ দু চোখ জাগা রাতের চোখ

আমার পরিপূর্ণ নিলামের রাত ভোর দেওয়া

নিশুতির রাতের মধ্যরাতে তোমাকে পাওয়া…

সুখহীণ ঈশ্বর…আত্মার স্তব্ধ বিস্ময়ে আমি শিখর

মুহূর্তের  খোঁজা না-পাওয়া না-দেখা অবিনশ্বর

আমার আমিকে খুঁজে পাওয়া কুলাঙ্গার এক নশ্বর।

তোমার ভুয়ো নিরলস রূপের এক নিকৃষ্ট রূপান্তর।

যে নিঃশব্দ পশরা গ্রহণ করে অক্লেশে পান বহর।

খুঁজে ফেরে না-চেনা স্পর্শের না-পাওয়া অধর।

মুক্ত বিহঙ্গ খোজে নিজের চেতনা।

শেখানেই আছে আমার না-বোঝার না-চেনা অন্তর।

নিভৃত ঘরের নিঃশব্দ কোণে নিঃশব্দ অবলোকন।

কে ও পাখনা মেলা পরী?

আমার স্বপনের সুন্দরী?

আমার কানে কানে কয়…

নিরালা জোছনায় এক স্বপ্ন মাখা মধুময়

তোমার স্বপন দেখানো জ্যোৎস্নায়।

আমি তোমার কূদৃষ্ট তোমার না-দেখা মহিমায়।

তোমার শ্রেষ্ঠ কুলাঙ্গার তোমার  লুণ্ঠিত যাতনায়।

তোমার বহ্নি শোণিত তোমার না-খোলা তলোয়ার

আমিই তোমার শিল্প গণিত না-ছোঁয়া শৃঙ্গার।

আমিই তোমার বিহঙ্গের মুক্তি

তোমার  সুপ্ত তলোয়ার

আমিই তোমার শ্রেষ্ঠ তীর সমরের হুশিয়ার।

তোমার কুরবান,

তোমার ভবিষ্যৎ

তোমার মুক্ত বিহঙ্গ অনিবার।

আমিই তোমার সুপ্ত সাধনা

তোমার নিভৃত অনাড়ম্বর জৌলুসে ভরা

ইহলৌকীক পরলৌকীক নিষিদ্ধ অনন্ত প্রেম

আমিই তোমার উদ্গার বহ্নি স্রোতের প্লাবনে।

তোমার শ্রাবণহীন  বৈবভের নিশীথ শৃঙ্গার

বাঁধভাঙা বসন্তের ভাঙনের প্লাবনে

নিশুতির কালবৈশাখী মাখা গগনে

নিশ্চিত উপহার।

আমিই মুক্তি আমিই শান্তি

আমিই বিহঙ্গ খোলো আঁখি ভোর।

আমিই বিহঙ্গ তোমারই অঙ্গ

খোলো নিদ্রিত আঁখি তোর।

কত গান শুনেছি…

কত গান শুনেছি কত মধুমাখা স্বপ্নে

জন্ম থেকে মৃত্যুর সমাধি স্থলে।

স্বপ্ন মাখা মধুর কবিতায় আঁকা

কল্পনার রঙে বিভোর।

শৈশব থেকে বার্ধক্যের

সুদীর্ঘ পথ ধরে আনন্দ,

দুঃখ মূর্ছনার পথ ধরে

সান্ত্বনার অতীত পেরিয়ে বর্তমানের ঠিকানায়…

মালঞ্চ বীথির কুঞ্জ থেকে বাস্তবের আঙ্গিনায়।

আমার না-পাওয়া স্বপ্নের মজলিসের

স্বপ্ন কামনার ফেলে আসা সুদীর্ঘ ব্যর্থতায়।

যেখানে রূপ থেকে রূপান্তরের মিথ্যে বাক্য ফোটে

স্বপ্ন দুয়ারের রুদ্ধ বদ্ধ নিঃশব্দ আঙিনায় বাক্যের তীর ছোটে

ফিরে তাকাই স্বপ্ন মাখা ইতিহাসে আরেকবার।

কেউ তো করেনি মানুষকে একবারও সেলাম!

নিজের ধান্দা আর ক্ষমতার স্বপ্ন লোভে

লিখেছে গীত,  গেয়েছে সঙ্গীত জাগিয়েছে হিল্লোল কল্লোলে।

শকুনির মতন উল্লাসের মত্ত শৃঙ্গারে

সহস্র কোটি লোকের লাসের কুরবানে।

কিছুই পালটায়-নি পালটেছে শুধু বেশ

নতুন স্বপ্নের নব সৌরভে বেঁধেছে নতুন এলোকেশ।

শোষিত মানুষ আজও পদাঘাতে পৃষ্ঠ

আজও স্বপ্ন দেখে শকুনির গীতা পাঠ শুনে।

অমৃতের স্বপ্নের রঙে উর্বর

যুগ থেকে যুগান্তরের মিথ্যে শ্লোগানে।

হে আগামী দিনের স্রস্টা

একটা গান শোনাও

যুগে থেকে যুগান্তের মরীচিকার মধ্যে

শোনাও নতুন কোনও গীত মালা।

সেই প্রতীক্ষায় মৃত্যুকে আলিঙ্গন করব।

কবে আসবে হে নব যুগের উল্লাসে মাতা

আগামীর সত্য স্রষ্টা?

স্বপ্নের গান

আমার মনের বইঠা ধর রে তুই নারী

আমি হাজার সমুদ্দুর পার হয়ে

তোরে ছুঁতে পারি।

আমার মন বৈঠার তরি

যেখানে উজলা ফসল ভরে

তোর ভরা গাঙের বুকে

আমি কেনে নির্জলা

তোদের পিরিতির সুখে?

তোদের মন বইঠা আমি বাইব মাঝি

দেখাইতে তোদের স্বপ্ন গাংগের তরি

আমার মনের বইঠা ধর রে তুই নারী

আমারে কোন স্বপ্নের ত্বরে ভিড়াইলি?
This poem has been used in my novel Canvase

শ্রান্ত দিনের বাসনা

শ্রান্ত দিনের বাসনা

মুক্ত চেতনের কিনারায়।

অবচেতন যেখানে খেলা করে

আলো-আঁধারির আঙিনায়।

স্তব্ধ জলরাশি, করে হাসাহাসি

আজকের ফোটানো জ্যোৎস্নায়।

কালকের প্রভাত সূর্য হাসে

এদের না-চেনা সত্যের চেতনায়।

যুগ কলেবর তোলে কলরব

নিজেদের স্বপ্নের অট্টালিকায়।

প্রভাত সূর্য মুচকি হাসে

এদের প্রহসনের উন্মাদনায়।

কবে চেতনা ফিরবে?

কবে জাগবে বাঙালি?

প্রহসন ছেড়ে বাস্তবের আঙিনায়?

অ্যাফ্ররডাইট এবং একা আমি

অ্যাফ্ররডাইট তুমি এক স্বপ্নমাখা উর্বশী।

রূপ লাবণ্যে দেহ সম্ভারের উরবসে

কলস ভৈরবে মহীয়ান ষোড়শী।

কল্পনার স্বপ্নে গড়া উড়বার মহীয়সী।

না-পাওয়ার স্বপ্ন আঙিনা ঢাকা।

স্বপ্ন মধু কল্পনায় আঁকা

নতুন আবেশের না-চেনা উর্বশী।

পলাশের রং নিয়ে কে তুমি এলে?

স্বপ্নমাখা দেহ কজ্জ্বলে

সুপ্ত সুবাসে, লাজুক নম্র মধুর এলোকেশে

মধুর জ্যোৎস্নার নতুন সুবাসের হরষে।

মোহময় উর্বশী?

স্বপ্নের পরশ ছোঁয়া

রঙের তুলিতে আঁকা

জ্যোৎস্নার করবি।

করে দিলে ইহলোকে পরবাসী

জীবন্ত স্বপ্ন সুন্দর উর্বশী।

কে তুমি এলে অ্যাফ্ররডাইট সেজে

আমার লাঞ্ছিত আঙিনায়?

আড়ম্বরহীন মুক্ত কেশে

কলঙ্কিত বনবিথকার মুক্ত জ্যোৎস্নায়।

কে তুমি এলে, দেহ কজ্জ্বল

সজল নিরালায়?

কে তুমি এলে, দাঁড়াত প্রভাতে

মূর্তির ছলনায়?

দেহ উধভাসে মৃদু স্বপ্নের উদাসে,

চারিধার শমিরহন

না-চেনা রূপের জৈবিক আরাধনায়।

না-চেনা অচেনা দেবীর মূর্তিতে

আমার স্বপ্ন কল্পনার মোহময় কীর্তিতে

স্বপ্নলিখায় উর্বশী পারদর্শী

অচেনা মধু ভরা জ্যোৎস্নায়।

কুল নেই কুলে

একূল দুকূল ভরা কুলে

হাতকাটা দীপ জালছে প্রদীপ

হৃদয়ের ভরা প্লাবনের গুঞ্জনে।

স্বপ্নে এঁকেছি তোমাকে

না পেয়ে ভাস্কর্যের চোখে

কল্পনার স্বপ্নে আঁকা

অরূপ রূপের ব্যঞ্জের কবি।

অনেক স্বপ্নে দেখা

কল্পনার জলছবি মাখা

অদেখার জাগ্রত জ্বলন্ত রবি।

স্বপ্নমাখা না-চেনা উর্বশী।

কে তুমি অ্যাফ্ররডাইট ভোলালে

শ্বেতসুভ্র মূর্তির সকৌতুক বিহ্বলে

স্বপ্নে দেখা, জীবন কুড়ানো

অনেক বনলতার নিঃশব্দ ছবি।

বিলাসী মনের মজলিসি আসরে

তুমি আজকের অয়াফ্ররডাইট রবি।

কোন অন্ধকারের আঙিনাতে

নতুন স্বপ্নে রামধনু রাঙালে

তোমার কল্পনার ময়ূরপঙ্খিতে আঁকা

স্বপ্ন নাওয়ে ভাসা না-চেনার নিঃশব্দ ছবি।

আমি একা ঘুরি জীবন্ত সত্যের আঙিনায়

তোমার কল্পনার বাইরের মোহনায়

অ্যাফ্ররডাইট আমি কোন ভাস্কর ছবি নই

এখনও একা আমি।

নিঃশব্দ তোমার প্রতিমূর্তি।

খোঁজা

তারাটাকে আমি আজও খুঁজছি

সন্ধ্যাতারার মাঝে।
তারাটাকে আমি আজও খুঁজে বেড়াই

তোমার নূপুর-নিক্বণ

মিষ্টি মধুর লাজে।

ঘোমটায় ঢাকা

আবেশে মধুমাখা

লাজ রাঙা পায়

আবির ছড়ায়

স্বপ্ন-ধ্বনি উজ্জ্বল

মধুমাখা কজ্জ্বল

আজকের নিরালা রাতে।

আশার আসায় পথ গুনি তাই

জ্যোৎস্না-মাখা স্বপ্ন-কজ্জল

নতুন জ্যোৎস্নার আলোকিত সুবাসে।

যেখানে হাজার তারা চোখ মেলে চায়

নতুন সুবাসে পেখম উড়ায়

ছন্দ-স্বপ্ন-স্পর্শ বিন্যাসে।

মধুমাখা রাতে, উর্বর জ্যোৎস্নাতে

তোমাকে নিশিদিন

ভরা ঔরসের বেসে এলোকেশে…

সুবেশে, সুভাসে

নয়ন কজ্জ্বল উদাসী এলোকেশে।

তোমার ঠোঁটের আলতো লাল

বার্ধক্য থেকে যৌবন অসামাল

জীবনের খোঁজা স্বপ্ন-পুরীর দেশে।

আজও আসেনি সন্ধ্যা

ফোটেনি চামেলি হাসনুহানা

স্বপ্নে পাওয়া রজনীগন্ধা

স্বপ্নের ধূসর বালুচরে।

তোমাকে আজও খুঁজে বেড়াই

আজকের অমাবস্যায় ঢাকা

আমার নিরালা স্বপ্ন আধারে।

আলোর নিশানা

জীবনের অনেক ধোঁয়াসে রাত

পার হয়ে গেল

খুঁজতে মধুমাখা জ্যোৎস্না।

গাঢ় অন্ধকারের মধ্যে

কেটে গেছে শৈশব যৌবন

প্রোঢ়ত্ব ছাড়িয়ে বার্ধক্যের আঙিনায়।

জীবন ব্যাপ্তির উজ্জ্বল মধুমাখা ঔরসে

ব্যর্থতা প্রকাশের অনীহার মুখোশে

কেটে গেছে কাল বিদীর্ণ করা মহাকাল।

তবুও ফোটেনি গোলাপ, জাগেনি সূর্য

ব্যর্থ স্বপ্নের না-বোঝা বিলাপে।

ফোটেনি গোলাপ, আসেনি সূর্য

আমার স্বপ্নের সোনাঝরা

ভুলে থাকা সাজানো বাগানে।

তবুও লাশটার কবর খুঁজতে খুঁজতে

স্বপ্নে বিহ্বল মজলিসে

আজও আমার জীবন্ত চিতা জ্বালাই

স্বপ্নের পরবাসে।

ত্রাসে, উল্লাসে, স্নেহাদর ভরে

সাজাই তাকে বহু যতন পরে।

স্নিগ্ধ শান্ত বনবীথিকার কুঞ্জে বসে

অন্ধকার ভরা স্বপ্নের মজলিসে।

হারনো বাইজির নপুর নিক্বণে

মজলিস মধুমাখা রাতে

এখনও তো শেষ হয়নি

আমার চাওয়ার মালা।

কিংবা রাতের কনক কাঁকনের

নূপুর নিক্বণ খেলা।

এখনও তো রয়ে গেছে

আমার স্বপ্নে দেখা

নতুন আলোর ঠিকানা।

হাজারো মজলিসের গুণগানে।

এখনও ভরা আমার আঙিনা।

শরত কী বসন্ত কে চুমু খাবে?

স্বপ্নটা কী বাস্তবে মিলাবে?

কোন সুদূরের মরীচিকার স্বপ্নগাথা ছেড়ে

আমি আসব আলোকের আঙিনায়?

যেখানে অনাবিল বসন্ত ফোটে

অহরহ জীবনের মোহনায়।

যেখানে আলো শুধু স্বপ্ন নয়

জীবন্ত দিশা অন্ধকারের আঙিনায়।

সেই আলোর দিশা চেতনার নব উত্তরণের মহিমায়।

SWEET

Sweet is the shade of twilight glade

Sweet is the opulence of smiling shade.

For he who fathoms the abysmal arcane

Wonders what is cryptic, is all that sane?

Sweet is the rose on a rosy day

Have they lulled into a mystic spray?

When the night yawns to the morning tide

When the moon kisses the morning light

The sun dawns the living morn

In quest of a long yearned forlorn.

Is it all a mystic myth?

Bliss of the lonely

A tender hitch?

Blog at WordPress.com.

Up ↑

StormyPetrel

আমার মনের মাঝে যে গান বাজে,শুনতে কি পাও গো?

Writcrit

Creative and Bookish

The Blabbermouth

Sharing life stories, as it is.

Prescription For Murder

MURDER...MAYHEM...MEDICINE

Journeyman

Travel With Me

কবিতার খাতা

কবিতার ভুবনে স্বাগতম

NEW MEDIA

LITERARY PAGE

Coalemus's Column

All about life, the universe and everything!

Ronmamita's Blog

Creatively Express Freedom

যশোধরা রায়চৌধুরীর পাতা

তাকে ভালবাসি বলে ভাবতাম/ ভাবা যখনই বন্ধ করেছি/দেখি খুলে ছড়িয়েছে বান্ডিল/যত খয়েরি রঙের অপলাপ/আর মেটে লাল রঙা দোষারোপ

Kolkata Film Direction

Movie making is a joyful art for me. I enjoy it as hobbyist filmmaker - Robin Das

arindam67

বাংলা ট্রাভেলগ

The Postnational Monitor

Confucianist Nations and Sub-Sahara African Focused Affairs Site

TIME

Current & Breaking News | National & World Updates

বিন্দুবিসর্গ bindubisarga

An unputdownable Political Thriller in Bengali by Debotosh Das

rajaguhablog

Welcome to your new home on WordPress.com

জীবনানন্দ দাশের কবিতা

অন্ধকারে জলের কোলাহল

Debraj Moulick

Dangling between Books & Films

A Bong পেটুক's quest .....

“I hate people who are not serious about meals. It is so shallow of them.” ― Oscar Wilde, The Importance of Being Earnest

%d bloggers like this: