স্বপ্ন দেখেছি ফুলের সৌরভে

স্বপ্ন দেখেছি বনবীথিকার গৌরবে

আমার না-দেখা মালঞ্চের আঙিনায়।

স্বপ্ন দেখেছি নতুন পৃথিবীর

মর্তলোকের শান্তির নিবিড় বন ছায়ায়।

সংগ্রাম হীন যুগ প্রত্যয়ের

কলেবরে সমৃদ্ধ সতেজ সবল

নিজ ভাবনায় নিজ চিন্তায় বলিষ্ঠ বলিয়ান।

স্বপ্ন দেখেছি অনুদ্ভাসিত

না-চেনা যুগের দৃঢ় আত্ম-প্রত্যয়ের

না-ফোটা কিশলয়ের এক বৃন্তের উদ্ভাসের

পরিক্ষিত সতেজ স্বাড়ম্বর অভ্যুত্থান।

অবক্ষয়ই পৃথ্বীর এক কোনে দাঁড়িয়ে

নির্বাক নিজেকে ঘোষণায় স্ফূর্ত

সদর্পে সগৌরবে নিজ গুনে বলিয়ান।

স্বপ্ন দেখেছি ছন্দ বাসর

ফেলে দেওয়া মজলিসের চেনা আসর

জাগতে,কালকে পেছনে ফেলে

আগামী দিনের না-বলা ধ্বনিকে

ফোটাতে আসরে সতেজ নির্বাক সমীহান।

চেনা রজনীগন্ধার মালা ছিঁড়ে ফেলে

ফোটাতে হাসনুহানা নব দিগন্তের বাসরে

সুর-তাল-কাব্য সৃষ্টির না-দেখা কল্পনায়

আপন নিজ সক্রিয় নিজ মহিমায়।

না-চেনা ঔরসের গহ্বর থেকে

বেরিয়ে আসা লাভার উদ্গিরন।

শ্লথ পথ,না-চেনা রথ,না-দেখা কালকের কিরণ

কিছুই নেই,আছে শুধু মনকে খুঁজে পাওয়ার

না-চেনা,না-খোঁজা,নিজের অবচেতন।

যেখানে পাখিরা ভাসে নির্মল আনন্দে

যেখানে হৃদয় কথা কয় না-বলা ছন্দে।

সুরে-ছন্দে-শিল্পে-কাব্যে-প্রকাশে

লেজারের  না-বলা কম্পনে।

বিশ্ব আজকে খুঁজছে সেই হৃদয়ের প্রস্ফুটিত বৃন্ত।

সেটাই নিয়ে যাবে ক্ষয়িষ্ণু ধরাকে

যুগে থেকে যুগান্তের নতুন পুলকে

আত্মার জাগ্রত  নব চেতনার নব আলোকে।

Advertisements