রাতের অমানিশা খুঁজছে নতুন তারা।

আঁধারের আস্তিনের মাধুরীর স্বপ্নমধু আঁকা।

ক্লান্ত শরীর, আঁধারের বুকে বিলীন

খুঁজছে মুক্তি, মধুপাস ছেড়ে স্বপ্নহীন,

কাজল নয়না, সজলা হরিণীর, নাগপাশ থেকে

আমানিসা ভেদ করা নতুন অরুণ লিখা।

তিমির আঁধার, কাঁপে অন্ধকার

চাওয়ার অতৃপ্ত কামনায় শঙ্কিত কলেবর,

স্তব্ধ বাসর, মধু জ্যোৎস্নার মধুযামিনীতে ভরপুর

অচেনা ধ্রুবতারার কুশপুত্তলিকা মাখা।

আঁশগন্ধে ভরপুর, কালকের ছেড়া মালা

লাস্যময়ীর সহাস্য দেহের না চেনা জৌলুসে?

ধ্রুবতারা কী স্বপ্নে দেখা, না-চেনা অজানা ইশারা?

স্বপ্নেকে না-পাওয়ার আরেক আঙিনা?

মখমল পায়, আলতো ছোঁয়ায়, স্বপ্নের উল্লাসে আঁকা স্বপ্নপরি।

তুমি কী আমার না পাওয়া সুন্দরি?

না-চেনা স্বপ্নের মালা গাঁথা পটীয়সী নারী?

স্বপ্ন-আঁধারের অভাগিনী কলঙ্কভাগি।

তোমায় স্বপ্নে জাগরণে দেখি বারবার।

আমার ধ্রুবতারা ছত্রাকার…

না পাওয়ার রসে, স্বপ্ন-মধুর আবেশে

মধুময় স্বপ্নের বাস্তব স্পন্দন।

তুমি তো শুধুই কাছের তারা,

সুদূরের নও, নও সপ্তর্ষির ধ্রুবতারা।

তোমার রক্তশোণিতে ধ্বনিত হয়

ইহলোকের অতি পুরাতন গদ্য।

আমি যে আজও খুঁজে বেড়াই

অবচেতনের না-লেখা পদ্য।

কালের বিভীষিকা ছাড়া, উর্বর সৌরভে ভরা

আগামীর না-পাওয়া স্বপ্ন।

যুগান্তরের স্তম্ভে লেখা তোমাকে হারিয়ে

আগামী যুগ-ইতিহাসের আঁধার পেরিয়ে,

নতুন দিনের, আমার না-চেনা স্বপ্ন।

Advertisements