Search

Aniruddha Bose

Pupa – Neat Depiction of a Morbid Tale

While in Facebook chat yesterday with another talented film director Amitabha Mukherjee Bhattacharya who made a noteworthy film ‘Raktokorobi’, I was discussing why I refrain from watching as well as writing a review of Bengali movies. The reason is obvious. With the degradation of its standard and encroachment by ‘cultural jokers’, its more or less a gimmick of a dying industry. When you are almost on the verge of despair, films like Raktokorobi and Pupaspell a breath of fresh air amid the dying industry. If I pick up the computer to write a review of a Bengali film, it is definitely worth the standard.

After the chat, I started watching Pupa by Indrasis Acharya in Amazon Prime. Indrasis is a is an Associate Director of one of the reputed companies Price, Waterhouse, Coopers and qualified in Applied Physics, Instrumentation and Engineering from Jadavpur University. It is obvious film making is not his source of income, rather his passion. The best creations are out of passion, not compulsion for survival. It is obvious, the director’s prime aim was perfection, not just commercial success. Unlike the previous days separating ‘Art Film’ from ‘Commercial Film’ the nomenclature has changed to ‘Good Film’ and ‘Bad Film’. 

Indrasis’ debut was with a film named ‘Bilu Rakkhosh’ which I was fortunate to see and write a review. Please check my website for the review. Needless to delve into details in that article, there were some drawbacks in the film ‘Bilu Rakkhosh’. This movie is a giant leap from his previous one. 

The story starts off with the death of a of an elderly lady in a North Calcutta residence. Before I forget, the art direction by Tapan Seth of inside of the residence was excellent portraying its realistic ambience deftly. 

The close-knit family assembles at the onset, mourning the loss of the old lady, her husband duly portrayed by Pradip Mukherjee (who debuted in Satyajit Ray’s ‘Jana Aranya’) who portrayed the character with utmost precision. The old man has a son Subhro (Rahul Banerjee), working in States, who has come to attend his mother’s last rites and his fiancée, living in Kolkata, aspiring to move to States with a job to join him. Both did justice to their respective roles.  Subhro has an elder sister, Mou (Sudipta Chakraborty) attending her dad’s needs, often leaving her doctor husband to cope alone. Both depicted their diversity of character in their limited scope. The old man has a brother Rajat Chatterjee (Kamaleshwar Mukherjee), whose role I would later enumerate. The old man has a stroke, goes into coma, hospitalised and finally discharged in that state for long-term domestic care with dubious outcome. The normal activities, aspirations of the family come to a halt at dad’s long-term prolonged care. What happens next, I would leave it to the viewers to watch.

One thing which struct me is the modulation of the sound by Anirban Sengupta and Uttam Sarkar from where it is heard. This is technical perfection which was in Ray’s ‘Nayak’ where the Nayak throws an empty bottle from a running train. These minor technicalities give the film, sound director and the director Indrasis a technical edge to perfection. The cinematography by Santanu De is par excellence. Background music by Joy Sarkar with the use of Rabindrasangeet with minimal musical gimmicks added to the mood as the story rolled. 

Kamaleshwar Mukherjee, the younger brother fulfilled his role with precision and appropriate emotions, where necessary. This story gives a glimpse of his diversified facets. It would have been worthwhile enumerating some of them either through dialogue or through short snippets in his diverse roles to depict his psychological make-up to the build of his conviction. That’s the only part of the script that fell short in this marvellous movie

Finally, coming to the director Indrasis Acharya himself. It is difficult to keep the pace with interest of the viewer in a morbid cult movie. By crisp editing, he and editor Malay Laha manage to keep the viewer’s interest till the end. Pace is a must, be it of a quality film or an ordinary one, which most of the Bengali directors have forgotten now. A slow pace indicates lack of compactness and editing capabilities of the script. Here the script is compact, often each dialogue carrying a two-fold meaning. He handled this movie throughout with immaculate precision and perfection. 

I believe the compact depiction of this morbid mature theme in a subtle way has fetched him numerous awards for this film:

  • Best Film (Bengali) – All India Critic Choice Award, Mumbai, 2018
  • Best Film All Lights International Film Festival, India, 2018
  • Best Film- Boston Indian Film Festival, 2018
  • Best Film- Bengal Film Journalist Association, 2018
  • Best Director, Best Actor, Best Sound Design in Aurangabad International Film festival
  • Best Director- Hyderabad Film Festival,2018
  • Best promising Director 2019 from NABC
  • Special Jury Mention in Dada Saheb Film Festival

In fact, when I wrote this review, I didn’t read what awards the movie had won. On completing it, I saw the awards were for the categories I already mentioned.

This and few other outstanding movies point to the fact, there is no dearth of talents in Bengal than the past eminent directors. Only urge the cliché producers to come out of their well and experiment with these talented directors. Not all might be a box-office failure. It would also mark the cultural resurgence of nearly dead culture of Bengal for a brighter tomorrow. I must congratulate Indrasis from coming out of the shackles of cliché storylines and attempting to venture on a new pathway. These attempts would hopefully break the devolution of Bengali cinema and carve the pathway to a new era, where Bengali cinema would soar like a phoenix from the ashes of the present.

চাঁদ মামা কোথায়?

আয় আয় চাঁদমামা… 

খোকার কপালে টিপ দিয়ে যা

স্বপ্নটা দেখিয়েছিল মা 

ঘুম পাড়ানি গানে। 

কীসের স্বপ্ন, জানি না।

আবেগ উদ্বেল ঘুম পাড়াতে

সত্যকে আড়াল করতে

সংরক্ষণশীল মাতৃত্বে। 

স্বপ্ন দিয়ে পরাতে রক্ততিলক 

বাছাটার কপালে। 

চাঁদ মামার স্বপ্ন নিয়ে বুকে

মায়ের দেখান স্বপ্নে আঁকব স্বপ্ন নীল। 

মায়ের পাখায় পাখনা মেলে 

ভাসব স্বপ্নরাঙা গাঙচিল।

রঙিন আলোর রোশনাইয়ে 

খুঁজে পাব হারানো সংগীত। 

মনের ময়ূরপঙ্খি উড়িয়ে 

ভাসব স্বপ্নের রংমহলে

ফেরাতে অতীতের চাঁদ মামার 

স্বপ্ন দেখান ঘুমপাড়ানি গীত।

চাঁদ মামা তুমি কোথায়?

অচেনা স্বপ্নের নিরালায়। 

এখনও কী আমাবস্যায় জ্বলছ?

ছেলেবেলার ঘুম পাড়ানি স্বপ্নে?  

আবেশে জড়িয়ে আমাকে

নিয়ে যেতে অজানা ময়ূরমহলে?

TAGORE AND DEATH

অমাবস্যার আলো

আলোটা বারবার হারিয়ে যায়

অমাবস্যার আঁধারে, গ্রহণের ছায়ায়,

কাল মৃগয়ায় স্বপ্ন মধুর আশায় 

কুহকিনী রাত, মরীচিকা।

স্বপ্ন বাসরে কালের আসরে

তারই দিনপঞ্জি লেখা। 

কাল শুধু ধাবমান সময়। 

সোনার হরিণের বেসে 

নতুন নতুন স্বপ্ন দেখায়।

রাত্রির পরে দিন স্বপ্ন রঙিন। 

প্রবচন স্বপ্নে উদ্দাম বিহীন, 

রঙিন বাসরে উন্মাদ আসরে

সঞ্জীবনী সুধা ছাড়ায়। 

প্রবহমান কাল, জানে সময়ের লয়

সৃষ্টি, স্থিতি আর প্রলয়ের ব্যপ্ত সময়

অতীত, বর্তমান আর ভবিষ্যৎ রূপে

অবচেতন, চেতন, অতিচেতনের নীলয়। 

অমাবস্যা শুধু আঁধারের লিপ্সা,

বন্ধন থেকে মুক্তির অজানা পিপাসা। 

মুক্তিই খুলে দেবে ভোরের সিংহদুয়ার,

কেটে যাবে নিশি আঁধার ঢাকা 

সরীসৃপ অন্তরের অমাবস্যা রাত।

তার-ই আলো নিঃশব্দ চেতনার উন্মেষে

অন্তরের জ্যোৎস্না প্লাবনে, 

অস্তিত্বগামী আমিত্ব মুখী আত্মসমর্পণ।

চেতনার উন্মেষে তারই প্রস্ফুটন। 

অমাবস্যার আঁধারে, গ্রহণের ছায়ায়,

কাল মৃগয়ায় স্বপ্ন মধুর আশায় 

কুহকিনী রাত, মরীচিকা।

স্বপ্ন বাসরে কালের আসরে

তারই দিনপঞ্জি লেখা। 

কাল শুধু ধাবমান সময়। 

সোনার হরিণের বেসে 

নতুন নতুন স্বপ্ন দেখায়।

রাত্রির পরে দিন স্বপ্ন রঙিন। 

প্রবচন স্বপ্নে উদ্দাম বিহীন, 

রঙিন বাসরে উন্মাদ আসরে

সঞ্জীবনী সুধা ছাড়ায়। 

প্রবহমান কাল, জানে সময়ের লয়

সৃষ্টি, স্থিতি আর প্রলয়ের ব্যপ্ত সময়

অতীত, বর্তমান আর ভবিষ্যৎ রূপে

অবচেতন, চেতন, অতিচেতনের নীলয়। 

অমাবস্যা শুধু আঁধারের লিপ্সা,

বন্ধন থেকে মুক্তির অজানা পিপাসা। 

মুক্তিই খুলে দেবে ভোরের সিংহদুয়ার,

কেটে যাবে নিশি আঁধার ঢাকা 

সরীসৃপ অন্তরের অমাবস্যা রাত।

তার-ই আলো নিঃশব্দ চেতনার উন্মেষে

অন্তরের জ্যোৎস্না প্লাবনে, 

অস্তিত্বগামী আমিত্ব মুখী আত্মসমর্পণ।

চেতনার উন্মেষে তারই প্রস্ফুটন। 

তোমাকে দেখেছি

তোমাকে কতবার দেখেছি

খরাতপ্ত কৈশরের চাওয়ায়,

ব্যাথা ভরা যৌবন আঙিনায়

না চেনা অজানা বিভোরে। 

তোমাকে কতবার দেখেছি

কেদার, দুর্গা থেকে দেশ

বাগেশ্রী, সংকরার ছন্দ অনুভবে। 

যৌবন হারিয়েছে চাওয়া-পাওয়ার দ্বন্দ্বে, 

ভেসেছি তারই স্রোতে নিজ আনন্দে। 

গুপ্ত অনুভূতি, সুপ্ত প্রেম

আধো আঁধারে স্বপ্ন, বাস্তবে শেম। 

তন্বী উলঙ্গ রমণীর বহ্নি কাম। 

অনুভবে মেঘকজ্জ্বল রুপোলী রাত। 

নিশীথে আলিঙ্গন রাতে সংলাপহীন চুম্বনে

মধুর জ্যোৎস্নামাখা নিরাবরণ মিলনে।

আভরণ তো সামাজিক শোভা,

তোমার পল্লব দৈহিক স্পর্শ হর্ষ, 

চিরজীবনের ব্যথার কব্যলিখা। 

প্রতি মুহূর্তে একাকী নিভৃতে

হিসেবের নতুন অব্যক্ত তালিকা। 

দেখতে চাই না তোমার উলঙ্গ স্বরূপ। 

নিজের আয়নায়, শুধু দেখতে চাই

স্ফুটিত অন্তরের স্বরূপ, নিজের মুখ। 

যুগান্তর

কী চেয়েছিলে নতুন যুগের ভোরে? 

জীবনের যত কুকার্য একত্র করে

স্বর্গ ফিরে পাবে? 

কবিরা তো স্বপ্ন দেখিয়েছিল

নতুন যুগের শিখা।

জ্বলেছিল হৃদয়ে স্বপ্নের কাব্যলেখা।

আঁতুড়ঘরে স্বপ্ন এঁকেছিলে কতকাল,

বিপ্লব, মন্দির, মসজিদ 

ক্ষুদ্র আবর্তে জীবৎকাল।

ইজম ছুঁয়ে গেছিল রিজনকে,

দুনিয়াকে করেছিল দামী

ইজমের বাজারে নিলামি। 

ভেবেছিলে এইভাবে ঘটবে রূপান্তর। 

নিজেকে পশরা করে যুগ থেকে যুগান্তর। 

রং ছড়িয়েছিল আগামীর রূপকার

বোঝেনি ধুলিস্যাত করবে প্রাকৃতিক বাহার। 

অচেনা ভবিতব্য নতুন অঙ্কে 

সেজেছে প্রলয় নৃত্যে আগামীকে সাজাতে। 

উন্মাদ পৃথ্বী চাইছে তোমার সততা 

কোথায় অবজ্ঞা করেছ ধরিত্রীর ঔরস

কোথায় বিঁধেছ তাঁকে লালসার উন্মাদনায়

জ্বালিয়েছ তাঁর অনন্ত বহ্নিচিতা। 

অহঙে দিয়েছ যুগান্তকারী লজ্জা। 

লুণ্ঠিত করেছ তাঁর স্বপ্ন আবেশ,

সজ্জিত তুমি, কুলাঙ্গার বেস। 

যুগান্তরের স্বপ্ন আতুরঘরে নয়,

স্বপ্ন সেটাই যা অন্তরকে চিনে লয়। 

তোমার স্বপ্ন হয়ত ময়ূরকণ্ঠি পক্ষিরাজ। 

যুগান্তরের ইতিহাসে নিছকই ধান্দাবাজ। 

কালকে চিনতে অতীত অবশ্যম্ভাবী। 

মৃত্যুলেখা যুগান্তরের রূপকার

সব অঙ্ক প্রকৃতির চেতনা উদ্ভাসে ছারকার। 

বাংলা চলচ্চিত্রের হাল হাকিকৎ ভবিষ্যৎ

গৌরবোজ্জ্বল বাংলা চলচ্চিত্রের অগস্ত্যযাত্রা বেশ কিছুদিন আগেই শুরু হয়েছিল। বিশ শতকের স্বর্ণযুগের অবসানে তা এক নতুন মাত্রা পেল। একবিংশ শতাব্দীতে কিছুটা এগনোর পর বেশ বোঝা যাচ্ছে, মিডিওক্রিটিদের দাপটে সেই সংস্কৃতি যৌবনের অন্তেই জীবনের শেষ প্রান্তে এসে পৌঁছেছে, বার্ধক্য-জাতীয় কোনও বিশেষ পরিণতির তোয়াক্কা না করেই। ‘বাঙালি বা বাংলা’ বিষয়ক আধুনিকতা, বর্তমান ভৌগোলিক বাংলার মাত্র দু-আড়াইশো বছরের উপনিবেশ পর্বের অবদান। এই পর্ব একাই মহাভারতের সাপেক্ষে‘আঠারোশো’। তার আর কী-বা দরকার, দুদিক থেকেই? গাঢ় আঁধারের এক সুদৃশ্য উত্তরীয় জড়িয়ে সমগ্র বাঙালি ক্রমশ কৈশোরের উচ্ছ্বাসে গোগ্রাসে গিলছে নিঃশেষ হয়ে যাওয়া অতীতর উচ্ছিষ্ট। পুরনো দিনের কথায় আক্ষেপ, অবসরে অশ্রুমোচন।

ঋত্বিক ঘটক, সত্যজিৎ রায়, মৃণাল সেন, তপন সিংহ, তরুণ মজুমদার, ইত্যাদি অতীত রোমন্থনে বাংলা চলচ্চিত্রের অতীত। প্রমথেশ বড়ুয়া, উত্তমকুমার, সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়, বিকাশ রায়, পাহাড়ি সান্যাল, রবি ঘোষ,ধৃতিমান চ্যাটার্জি ইত্যাদি ফেলে আসা সেই অতীতের সাক্ষর। সুচিত্রা সেন, সাবিত্রী চ্যাটার্জি, মাধবী মুখার্জি,শর্মিলা ঠাকুর, কানন দেবী, সুপ্রিয়া দেবী ইত্যাদি ব্ল্যাক অ্যান্ড হোয়াইটে অতীতের গৌরবাজ্জ্বল অধ্যায় সৃষ্টি করলেও,প্রতেকেই ছিলেন অভিনয় দক্ষতায় কালারফুল।

আজ নিঃস্ব চলচিত্র দুনিয়া টিকে থাকতে মরিয়া। দেওয়ার কথা দূরে, অস্তিত্বই এখন সংকটে। ভাঙা প্রাগৈতিহাসিক স্টুডিওগুলোতে এমন কী ছিল, যা স্বল্প বাজেটে ভারতবর্ষের বিভিন্ন ভাষায় চলচ্চিত্রের দিশারি? কিংবা বিদেশে সমাদৃত? আজ বুঝি আর কী কিছুই দেওয়ার নেই। মিডিয়াতে কথার ফুলঝুরি, কাজের বেলায় অষ্টরম্ভা। সে যুগে তো এত মিডিয়ার বাহার ছিল না। তবুও লোকে উদগ্রীব হয়ে প্রেক্ষাগৃহে ভিড় করত। অনেক হলে তো এসিও ছিল না। 

কীসের মোহে?

বলতে পারেন তখন ইন্টারনেট আসেনি, টিভিও ছিল না, পরে অবশ্য শনি-রবিবার দূরদর্শনে ব্ল্যাক অ্যান্ড হোয়াইট ছবি। বিশ শতাব্দী থেকে একবিংশ শতাব্দীতে এমন কী ঘটল, যে বাংলা ছবির ভরাডুবি? উত্তমকুমারের মৃত্যু, না সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়ের বার্ধক্য। কিন্তু এরাই শুধু যে বাংলা ছবির বক্স অফিস, উৎকর্ষ এমন তো নয়। যদিও উজ্জ্বল তারকারা ছবি অলংকৃত করতেন, এরাই যে ছবির সাফল্যের চাবিকাঠি, ভাবাটাই ভুল। বাংলা ছবির স্তম্ভ ছিল তার গল্প, যা তখনকার সাহিত্যিকদের লেখা। গল্প বলার ধরন, দক্ষ ক্যামেরা, কালজয়ী সংগীত এবং সর্বোপরি টেকনিক্যাল টিমের একান্ত নিষ্ঠা। গতির যুগের সঙ্গে এডিটিং-এর বিবর্তন হয়েছে, সঙ্গে গল্প বালার ভঙ্গি। একটা দৃশ্যে দীর্ঘক্ষণ আটকে না থেকে, স্বল্প সময় দৃশ্য পরিবর্তন এটাই একবিংশ যুগের স্টাইল। 

এই স্টাইল সম্বন্ধে একটু বলা আবশ্যক। একটা দৃশ্য থেকে, সংলাপ কিংবা অভিব্যক্তির মধ্যে দিয়ে চরিত্রের বিন্যাস, ছবিতে স্ক্রিপ্ট লেখার মুনশিয়ানা বোঝায়। তার সঙ্গে গল্পের মধ্যে অন্য আরেকটা গল্প বলা, শুধু একঘেয়েমিই দূর করে না, টুকরো টুকরো অন্য গল্পের প্রবাহের দিকেও ইঙ্গিত করে। বিদেশে, যারা সাহিত্য নিয়ে গবেষণা করেন, তারা এই ধারা সম্বন্ধে প্রচলিত। বাংলা সাহিত্যে কদ্দুর ছিল জানি না, তবে একবিংশ শতাব্দীর গোঁড়ার দিকে আমার অন্বেষণ উপন্যাসে সেই স্টাইলে বিশ্বাস রেখে, এই বিবর্তনটা আনতে সক্ষম হই। গল্পের আরেকটা দিক হল, মেরুদণ্ড। যা গল্পের দর্শন। সেখানেও আধুনিক নতুন চিন্তাধারা মানুষ খোঁজে। যাকে আমরা বলি টেক-হোম ম্যাসেজ। যা গল্প শেষ হওয়ার পরেও রেখাপাত করে যায়। বিষয়বস্তুর আধুনিকতাও প্রয়োজন। সামাজিক কাঠামোর যে বিবর্তন হয়েছে, তা মাথায় রেখে প্রকাশেরও ঔদার্য প্রয়োজন। ঔদার্য মানে যৌনতা নয়। সত্যি না লুকিয়ে, অকপটে তা বলা। ঘোমটার তলায় খ্যামটা না নেচে, রুঢ় বাস্তবকে সামনে আনা। দরকার হলে নিষ্ঠুর ভাবে। 

রহস্য উপন্যাসেও বিবর্তন এসেছে। শারলক হোমস ও অগাথা ক্রিস্টির অনুকরণে অগণিত যে গোয়েন্দা চরিত্র বাংলায় সৃষ্টি হয়েছে, তা আজগুবি। প্রাইভেট ডিটেকটিভকে কেন্দ্র করে গল্প লেখার ট্র্যাডিশনটা কেমন যেন একঘেয়ে। ১৮৩৩ সালে এক ফ্রেঞ্চ সৈনিক, অপরাধী ইউগিন ফ্র্যাঙ্কয়েস ভিডক, কয়েকজনকে নিয়ে লে ব্যুরো ডেস রিসেইনমেন্টস ইউনিভারসেলস পউর লে কমার্স এট ল্য ইন্ডাস্ট্রি নামে প্রথম ডিটেকটিভ এজেন্সি স্থাপন করেন। ১৮৪২ সালে পুলিস ওনাকে জালিয়াতির অপরাধে অ্যারেস্ট করে। ভিডক ও চার্লস ফেড্রিক এই দুজনের হাত ধরেই প্রাইভেট ডিটেকটিভ কনসেপ্টটা রহস্য গল্পে স্থান করে নেয়, যার ভিত্তিতে এডগার অ্যালেন পোর সি আগস্টা ডুপিন ১৮৪০ সালে প্রথম প্রাইভেট ডিটেকটিভ হিসেবে সাহিত্যে আসে। তারই ভিত্তিতে বহুজন ডিটেকটিভ সাহিত্যে স্থান করে নেয়। কতগুলো চিন্তা মাথায় ঘুরপাক খেতে থাকে। 

  • মৃত্যুর সময় পুলিস না ডিটেকটিভ, কে ইনভেস্টিগেশন করতে যায়?
  • খুনের কিনারার জন্য বর্তমান যুগে ক’জন ডিটেকটিভের শরণাপন্ন হয়? 
  • ডিটেকটিভদের কী পুলিস রিপোর্ট, ফরেনসিক রিপোর্ট জানার অধিকার আছে? 
  • তারা কী টেলিফোন কিংবা ইন্টারনেট ট্যাপ করতে পারে? 
  • তারা কী ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট, ইন্সিওরেন্স ও অন্যান্য ব্যাক্তিগত তথ্য কারও সম্মতি ছাড়া জানতে পারে?

 উত্তর একটাই – না। তাহলে প্রাইভেট ডিটেকটিভ একটি আজগুবি কনসেপ্ট, যা একবিংশ শতাব্দীতে ভিত্তিহীন। আজকের বাস্তবতা মাথায় রেখেই এধরনের অন্য ধরণের গল্প বিন্যাস বাঞ্ছনীয়। এমনও তো হতে পারে, খুনের ইনভেস্টিগেশন প্রথাগত ভাবেই হচ্ছে, অথচ তার সলিউশন একাধিক ব্যক্তির যুগ্ম প্রয়াসে এগিয়ে গিয়ে তাদের মধ্যেই একজন শেষ করে। উপন্যাসে তাই শুধু খুনিকেই নয়, ফাইন্যালি জ্যাকপট জেতা মানুষটিরও সন্ধান দর্শক করতে পারে। যে হয়ত তদন্তকারীদের মধ্যে নয়। এই অত্যাধুনিক চিন্তার পরিপ্রেক্ষিতে আমার একাধিক রহস্য কাহিনি।  

আসল কথা, গল্পের একটা গতি বাঞ্ছনীয়। যাতে দর্শক মন্থর গতির ছবি দেখে নিরাসক্ত না হয়ে, ছবি দেখাই বন্ধ করে দেয়। 

এতগুলো কথা লিখলাম, কারণ সমস্যাটা সেখানে। ‘অনুপ্রাণিত’ হয়ে এখন সব পরিচালক-ই লেখক, কেউ কেউ আবার অভিনেতা, সুরকার, গায়ক-গায়িকা, এডিটর, ক্রিয়েটিভ ডিরেক্টর, সিনেমাটোগ্রাফার। প্রযোজকের বরমাল্য পেলে, নায়ক-নায়িকা হতে কতক্ষণ? কবিগুরুর দেশে, আজকের চলচিত্র জগতে সবাই সর্বগুণ সম্পন্ন হতে চায়, প্রতিভার দাক্ষিণ্য ছাড়াই। মধ্যরাতের পার্টি আর পেজ থ্রি তে অস্তিত্ব বেঁচে থাকবে। আর কিছু না হোক, খেয়ে-পরে টিকে থাকা যাবে। কথাগুলো ভালো না লাগলেও, এই ‘বহুমুখী গুণধারিরা’ যে নিজের অস্তিত্বকে টিকয়ে রাখতে, শুধু বাংলা চলচিত্রকে রসাতলে পাঠাচ্ছে, তাই নয়, ইউনিটের অসংখ্য কর্মচারীদের রুজি রোজগারের বারোটা বাজাচ্ছে, একবারও তাদের কথা না ভেবে। রসবসে বাঙালি দর্শকদের মানসিক সূক্ষ্মতা ভোঁতা করে,কালচারল বাঙালিকে তামিল রিমেকে ঠেলে, তাঁর নিজস্বতার সর্বনাশই শুধু করছে না, একটা গোটা জাতীকে পঙ্গু করে দিচ্ছে। অন্যের গল্প টুকে নিজের নামে চালানো এদের নিত্যনৈমিত্তিক অভ্যাস। সৃষ্টির আগে সেলিব্রিটি হতে হবে। তাই সাত সকালে বোঁচকা কাঁধে বেড়িয়ে পড় মিডিয়া বাবুদের পদলেহন করতে। গতিহীন ঘূর্ণিপাকে চিন্তাশক্তি ফিউজড। হোয়াট বেঙ্গল থিঙ্কস টুডে, ইন্ডিয়া ফরগট ইয়েস্টারডে।  নিজস্ব চিন্তাধারাকে কর্পোরেটের নরম মখমলে স্টারডমে বিক্রি করে খ্যাতনামারা আরও প্রখ্যাত। হারিয়ে গেছে সৃষ্টি। গায়েব হয়েছে কৃষ্টি।

একবিংশ শতাব্দীতে পোঁছে গেছি। বিবর্তন হয়েছে চিন্তাধারার। বিবর্তন হয়েছে চলচ্চিত্রের। প্রশ্ন ওঠে কোনটা সমাদৃত? কোনটা হাইপ? কোনটা পূর্ণতা? কোনটা বিক্রির পণ্য? রুঢ় সত্যটা মানুষ দেখতে চায় না। ভয় পায়। তারা ভালবাসে আলো-আঁধারিতে থাকতে। সত্যকে এড়িয়ে যেতে। রূঢ় বাস্তব যে বড় নিষ্ঠুর কঠোর ভাবাবেগ বিচ্ছিন্ন। 

তা বলে কী সে যুগে সব ছিল, এখন কিছু নেই। একেবারেরই নয়। এমন অনেক দক্ষ পরিচালক আছেন যারা তথাকথিত নামি পরিচালকদের চেয়ে কিছু কম নয়, বরং আরও উৎকর্ষ। তাঁরা কোথায়? তাঁরা আমাদের মধ্যেই আছেন। হয়ত মিডিয়া, সঙ্গত কারণে তাঁদের ড্রাম পেটায় না, পাছে তাদের তৈরি সাব-মিডিউক্রিটি ‘সেলেবরা’এদের জোয়ারে ভেসে যায়। যে প্রযোজকরা ছবি করে, তাদের সেই মানসিক বিন্যাসই নেই, এদের কদর করার। ছবি করতে চাইলে, বিধাতার মতো প্রযোজকরা একশ গণ্ডা শর্ত পাড়ে তা কোনও শুভবুদ্ধিসম্পন্ন লোকেরই গেলা মুস্কিল। যারা মিডিওক্রিটি তারা আসলে অপদার্থ। যোগ্যতা না থাকায়, তৈলমর্দন করে টিকে থাকার মরিয়া চেষ্টা। যারা কাজটা জানে বা ন্যূন চিন্তাধারার প্রবর্তক, তাদের আত্মসম্মান বা রুচিতে বাঁধে এসব নিয়ে সময় নষ্ট করতে। গোলামি করা বাঙালিদের, মোসাহেবি যে মাজায়। এই দ্বিতীয় শ্রেণি আগামীর রূপকার। তাই মরিয়া হয়ে এদের বহিঃপ্রকাশে হস্তক্ষেপ। প্রচারের দাপটের অন্তরালে প্রকৃত রোশনাই আঁধারে। ফিউজটা জ্বলে যায় প্রথম শ্রেণির প্রচারের দাপটে। দ্বিতীয় শ্রেণি মায়াবী রাতে, তারাদের দিকে উদাস বসে স্বপ্ন দেখে পরিবর্তনের। স্বপ্নের তারাগুলোকে ছোঁয়ার আশায়। কবে আবার নতুন তারা ফুটবে? জীবনটা আবার নিওন আলোর বাইরে, নতুন চাঁদের আলো দেখবে? কবে আবার আজটা কাল হবে, পরশুটা আজ? 

করোনার প্রকোপ, প্রকৃতির ভ্রুকুটিরঙ্গে, যে পরিবর্তন একদিন মাঝরাতের অলীক স্বপ্ন ছিল, আজ বুঝি নিয়তির পরিহাসে দোরগোড়ায়। যে ডুবন্ত বাংলা চলচিত্র ভেন্টিলেটারে মৃত্যুহীন কোমায়, ব্রেন ডেড হয়েও বেঁচে ছিল, পৃষ্ঠপোষকতার দম্ভে অজেয়, সৃষ্টিশীলদের মধ্যে বিষ ছড়াচ্ছিল, দম বন্ধ করা এক বাতাবরণে, বাধ্য করছিল আপামর সাধারণকে গিলতে, আজ বুঝি প্রকৃতির রুদ্ররোষে সেই যুগ সন্ধিক্ষণে। অন্যায় যখন মানুষের ক্ষমতার কাছে নতি স্বীকার করে, যখন যুগধর্মের নামে অধর্ম বিচরণ করে। তখন ভারসাম্য আনতে প্রকৃতির আত্মপ্রকাশ। 

যদা যদা হি ধর্মস্য গ্লানির্ভবতি ভারত অভ্যুত্থানমধর্রমস্য তদাত্মানং সৃজাম্যহম্ ।।

পরিত্রাণায় সাধুনাং বিনাশয় চ দুষ্কৃতাং ধর্মসংস্থাপনার্থায় সম্ভবামি যুগে যুগে ।।

(ভগবদ গীতা ৪, ৭-৮)

এমনিতেই লোকে আধুনিক বাংলা ছবি প্রেক্ষাগৃহে গিয়ে বেশি দেখত না। করোনা মহামারির দৌলতে লকডাউনের জন্য লোকে ঘরবন্দি। বিনদেনের জন্য নেট-এ এত ছবি ও ওয়েব সিরিজের ছড়াছড়ি – নেটফ্লিক্স,অ্যামাজন, জী, হটস্টার, ভুট, জিওসিনেমা, ভোডাফোন প্লে, এয়ারটেল এক্সস্ট্রিম, হাঙ্গামা, কমতি নেই। আগে প্রেক্ষাগৃহে দেখার অভ্যাসটা এখন নেটের ওপরই নির্ভরশীল। এই সময়, লোকে নেটে ছবি দেখায় অভ্যস্ত হয়ে গেছে। প্রেক্ষাগৃহ কবে খুলবে, কেউ জানে না। খুললেও মহামারির আশংকায় ওখানে ক’জন যাবে, বলা মুস্কিল। তারপর যদি অর্থহীন বাংলা ছবি হয়, নৈব নৈব চ। ফিরে সেই ওয়েব। এই কম্পিটিশনের বাজারে, যেখানে এত ছবি ও ওয়েব সিরিজ, গুণগত মান নিকৃষ্ট হলে, ধোপে টেকা মুশকিল। খারাপ হলে তো কথাই নেই। প্রচারের আতসায্যও, নিশ্চিত মৃত্যুর মুখ থেকে ফেরাতে পারবে না। ডাল-ভাত গেলা বাঙালি কিন্তু এই লকডাউনে বিরিয়ানিতে অভ্যস্ত হয়ে গেছে। মোগলাই ভোজের পর কী পান্তাভাতে ফিরে যেতে চাইবে? মনে তো হয় না।

যারা এতকাল বাংলা ছবিতে আধিপত্যের নামে তাণ্ডব করেছে, এবার বুঝি বিচারের কাঠগড়ায়। উচ্চ মানের ছবি কর, নইলে ফুটে যাও। জগতব্যাপি করোনা প্যান্ডেমিকের বিস্তৃতেতে, বিদেশের মনোরম দৃশ্য দিয়ে ভরান অর্থহীন ছবির ছবির শুটিং যে কবে হবে, কেউ জানে না। এই অবস্থায়, গিমিক ছেড়ে উৎকর্ষ মানের ছবিই বাঁচার পথ। ভেন্টিলেটার থেকে শ্মশান ঘাট, না সর্বনাশ থেকে ফিনিক্সের মতো পুনরুজ্জীবন, মাহামারির লকডাউন তারই ইঙ্গিত।

সৃষ্টি তুমি আত্মদহনে জ্বল, যদি নতুন সুরে, নতুন তানে, না কিছু বলিতে পার।

একবিংশ শতাব্দীর নতুন বার্তা। সময় হয়েছে রবীন্দ্রনাথ থেকে বেরিয়ে রাবিন্দ্রিক চেতনা আর অন্যদের গল্প চুরি না করে, ঊর্ধ্বে উঠে, নতুন কিছু করার। নইলে রবীন্দ্রনাথকে সঙ্গী করে ক্রমশ বাঙালির অপমৃত্যু। সেখানেই কৃষ্টির প্রগতি নতুন কথা বলার। ‘এখন করিছে গান সে কোন নতুন কবি তোমাদের ঘরে?’ সেই বিশ্বচেতনার স্রষ্টাকে আগামী পুনরায় বরণ করবে সৃষ্টির চিত্রগাথায়। যা প্রচারের দাপটে প্রকট না হয়েও সদা প্রোজ্জ্বল। হাজারও ব্যর্থতার মধ্যেও পথের দিশারি। আগামীর পাথেয়। নাই বা রইল উচ্ছ্বাসের ঘনঘটা। নাই বা রইল বর্ণের বর্ণচ্ছ্বটা। ধূসর বর্ণহীন নিরাম্বরের মধ্যেই হোক সেই ‘ব্যাথার পূজার সমাপন’ নতুনের উদ্ভাসে। চিত্তের মুক্তি। আগামী চলচ্চিত্রের নতুন চিত্রগাথা। নতুন প্রাণের জোয়ারে ভাসা বলিষ্ঠ পদক্ষেপ। যা আতসবাজী ছড়াবে নিঃশব্দে, নীরবে, সন্তর্পণে আগামীর দেওয়ালি উৎসবে। 

বন্ধুবর আশিস চট্টোপাধ্যায়ের কলম তারই দিশারিঃ

‘জীবনের ঝরে পড়া ধানগুলো 

খুঁটে খুঁটে খেয়ে চলে স্মৃতির পাখিরা 

ওগো ব্যাধ তুলো না গাণ্ডীব  

তার চেয়ে হও তুমি নীল বাতিঘর  

দেখাও দিশার আলো নিশার আঁধারে

আজকের অন্ধকারের দমকা আলোর রোশনাই-এর মধ্যে সেটাই তো আগামীর বীজ মন্ত্র। খরাতপ্ত আকালের মধ্যে বর্ষার আগামী না-চেনা মেঘমল্লার। নতুনের স্ফুলিঙ্গ।   

প্রচ্ছেদঃ আদিতি চক্রবর্তী

জননী মহাবিশ্ব

via জননী মহাবিশ্ব

বাংলা সংস্কৃতি একবিংশ শতাব্দীতেঃ প্রাসঙ্গিক রবীন্দ্রনাথ

via বাংলা সংস্কৃতি একবিংশ শতাব্দীতেঃ প্রাসঙ্গিক রবীন্দ্রনাথ

Create a free website or blog at WordPress.com.

Up ↑

StormyPetrel

আমার মনের মাঝে যে গান বাজে,শুনতে কি পাও গো?

Writcrit

Creative and Bookish

The Blabbermouth

Sharing life stories, as it is.

Prescription For Murder

MURDER...MAYHEM...MEDICINE

Journeyman

Travel With Me

কবিতার খাতা

কবিতার ভুবনে স্বাগতম

NEW MEDIA

LITERARY PAGE

Coalemus's Column

All about life, the universe and everything!

Ronmamita's Blog

Creatively Express Freedom

যশোধরা রায়চৌধুরীর পাতা

তাকে ভালবাসি বলে ভাবতাম/ ভাবা যখনই বন্ধ করেছি/দেখি খুলে ছড়িয়েছে বান্ডিল/যত খয়েরি রঙের অপলাপ/আর মেটে লাল রঙা দোষারোপ

Kolkata Film Direction

Movie making is a joyful art for me. I enjoy it as hobbyist filmmaker - Robin Das

arindam67

বাংলা ট্রাভেলগ

The Postnational Monitor

Confucianist Nations and Sub-Sahara African Focused Affairs Site

TIME

Current & Breaking News | National & World Updates

বিন্দুবিসর্গ bindubisarga

An unputdownable Political Thriller in Bengali by Debotosh Das

rajaguhablog

Welcome to your new home on WordPress.com

জীবনানন্দ দাশের কবিতা

অন্ধকারে জলের কোলাহল

%d bloggers like this: